”আমডার পেটত ভাত নাই, গনতন্ত্র দিয়ে কি করবাম”

এড. মোঃ সলীমুল্লাহ খান: খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং শিক্ষা এই পাঁচটি মানুষের মৌলিক চাহিদা যে সমাজ বা রাষ্ট্র যত বেশী নিশ্চিত করতে পেরেছে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে সে সমাজ বা রাষ্ট্রকে আমরা উন্নত বলে স্বিকৃতী দিয়ে আসছি। কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় আমাদের দেশ শুধু বিভিন্ন অজুহাতে পেছনের দিকে যাচ্ছে। সেই স্বৈরাচার ”আইয়ুব খান” এর প্রেতাত্মা যেন ভর করেছে, যেমন -আমরা গরীব রাষ্ট্র আমাদের দরকার উন্নয়ণ!

”আমডার পেটত ভাত নাই, গনতন্ত্র দিয়ে কি করবাম”

এই এক অসাধু মন্ত্রের প্রচার চলছে প্রত্যাক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে, অবৈধভাবে ক্ষমতা আগলে রেখে বড় বড় বক্তৃতা চলছে, উন্নয়ণ মেলা চলছে। সংবিধান সংশোধন করি বা করতে চাই ব্যক্তিগত স্বার্থে বা দলীয় স্বার্থে। মনে হচ্ছে দেশে তারাই আজীবন ক্ষমতার মালিক থাকবেন, নেমে গেলে যে বিষয়গুলো থাকা দরকার তার কথা কোন সরকারই নেমে যাওয়ার আগে ভাবেননি বর্তমান সরকতো ভাবার কথাইনা।

উন্নয়ণের দামাঢোল বাজালেও আইয়ুব খান যতটুকু উন্নয়ণ করেছেন তার সাক্ষ্য এখনো এদেশে দেখানো যাবে, এরশাদ আমলে রিজার্ভ ভেঙ্গে উন্নয়ণ করা হয়েছিল তারপরও উন্নয়ণের কথা আজো গ্রাম বাংলার মানুষ স্মরণ করে, কিন্তু বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারও উন্নয়ণের কথা বা দামাঢোল বাজিয়ে চলেছেন বাস্তবে কিছুইনা।

মানুষে পাঁচটি মৌলিক অধিকারই নিশ্চিত করতে পারেননি প্রচার হচ্ছে ”মধ্যম আয়ের দেশ” এই প্রচার বা দাবী প্রতিষ্ঠিত করতে চাইয়া যদি নিম্ন আয়ের দেশের সাহায্য প্রাপ্তির লাইনে দাড়িয়ে থাকি তখন কিন্তু সম্মান বলতে কিছু থাকেনা।

কাজের সন্ধ্যানে মানুষ বিভিন্ন দেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ করছে ধরা পরে বাংলাদেশী নাগরিক মালয়েশিয়ার জেলখানায়। দেশে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ দূরে থাক সামাজিক, অর্থনৈতিক কোন নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন সরকার।

যে উচ্চ আদালতের রায়ের কারণে উনারা ক্ষমতায়, আবার এই উচ্চ আদালতের সমালোচনার ঝর তুলেন সংসদে, ভাষার প্রয়োগও আদালত অবমাননার মধ্যে পড়ে। তাই আমরা জনগনের কি করার আছে চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে এই অবস্থা ছাড়া।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন