উজ্জীবিত হচ্ছে বিএনপি!

সময়বাংলা, ঢাকা: দেশনেত্রী মামলার রায় ও বহুব্রীহি আইনের দ্বারা সব সময় যে সুশাসন বা সুবিচার নিশ্চিত হয় ব্যাপারটা সেরকম নয়। বরং শক্তির ভারসাম্যই একটি দেশে সুশাসন, সুবিচার ও সু-সরকার প্রতিষ্ঠায় অধিক কার্যকরী।

এটা ইতোমধ্যে প্রমানিত, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মামলা দেশের পেনাল কোড মোতাবেক কোন অপরাধ নয়। নৈতিকতার মানদন্ডে তা স্খলন তো নয়ই। এহেন অবস্থায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা আসলে হাসিনা সরকারের চালমাত্র। রাজনৈতিক এই চালবাজিকে পাল্টা চাল দিয়ে প্রতিহত করা উচিত।

বিগত দুই/তিন মাস দেশনেত্রীর মামলার হাজিরায় ছাত্রদল-যুবদল-স্বেচ্ছাসেবকদলসহ বিএনপি এবং এর অন্যান্য অংগ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা যেভাবে চাংগা হয়েছে তা অভাবিত। আমার মনে হয় এই অভাবিত গন-জাগরণ উপলব্ধি করে সরকার দেশনেত্রীকে সাজা দেয়া দুরভিসন্ধি থেকে সরে আসবে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়কে কেন্দ্র করে যে ভীতির আবহ ছড়ানো শুরু হয়েছে তা আওয়ামী প্রোপাগান্ডার অংশ বিশেষ। কিন্তু দেশেনত্রী বেগম খালেদা জিয়া অটল-অবিচল। ইতিহাসের সামনে আবারও ‘আপোষহীন’ এক ইমেজে আভির্ভূত হতে চলেছেন তিনি।

দেশনেত্রীর এই দৃঢ়চেতা মনোভাব সংক্রমিত হতে হবে জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী প্রতিটি কর্মীর মনে। ছাত্রলীগ কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরছাত্রীদের উপর যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদে আহূত ছাত্র-ধর্মঘট ও তার পরবর্তী জানুয়ারি ৩০, ৩১ ও ফেব্রয়ারী ১ দেশনেত্রীর প্রহসনমূলক মামলার শেষ তিন দিনের হাজিরায় শক্তির উপস্থিতিই পারে সুবিচার নিশ্চিত করতে। এই শক্তি এমনকি পরবর্তী সু-সরকারও নিশ্চিত করবে।

লেখকঃ সরদার আমিরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল
(ফেসবুক পাতা থেকে সংগৃহীত)

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন