কুমিল্লা প্রেসক্লাবের বর্তমান পরিবেশ প্রসঙ্গে

এড. মোঃ সলীমুল্লাহ খান: মাসুক আলতাফ চৌধুরী শুধু একটি নাম নয় বর্তমানে এই নামই একটি ব্র্যান্ড বলা যায়। যখন কুমিল্লা প্রেস ক্লাব নতুন জায়গা নতুন বিল্ডিং তখনো কুমিল্লা প্রেস ক্লাব ছিলো একটি পোড়া বাড়ীর মতো। ১৯৯৬ সালের কথা আমি ভি. কলেজ এর ছাত্র নেতৃত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে নিলাম ফ্যামিলির প্রয়োজনে।,অবসান হলো আমার ১৩ বৎসরের রাজনৈতিক জীবনের শেষ অধ্যায়। তখন আমি অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পরীক্ষার্থী, তখন এক ব্যচ জুনিয়র গ্রুপের সাথে প্রেস ক্লাবের ওখানে আড্ডা দিতাম।

প্রেসক্লাব তখন নামে মাত্র একটি বিল্ডিং মাত্র আমরা একটা টোল বানিয়ে দিলাম কেয়ার টেকারকে সে হালকা চা দোকানের মতো খুলেছিলো শুধু আমাদেরকে খাওয়ানোর জন্য। ততকালীন এ এস পি পরে আবার কুমিল্লার এসপি হয়েছিলেন, এমনকি বিভাগীয় কমিশণারও ছিলেন, জানামতে তিনি বর্তমানে কোন এক দেশে রাষ্ট্রদূত হিসাবে আছেন। ঐ এ এস পির বাবা মাঝে মাঝে আমাদের আড্ডায় যোগ দিতেন, সেসব দিনের কথা মনে পরলে প্রেসক্লাবের সামনে দিয়ে যখন যাই তখন মনের গহীনে কেমন একটা শিহরণ জাগে।

যাহউক কলেজ জীবনে রাজনীতির বাহিরে কিছু সহকর্মী বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের সতীর্থ লোক যেমন মাসুক আলতাফ চৌধুরী, নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম, আবুল খায়ের, রূহুল আমিন আযাদ, মহসিন এবং দাদু বেকারীর মামুন, তাদের কথা মনে পরে রাজনৈতিক জীবনের পরিমন্ডলের বাহিরে, তাছাড়া মেজর হাফিজ স্যার, আব্দুস সামাদ স্যার, ইফতেখার স্যার তাদের কথা বিএনসিসির মেজর হাসান স্যার ও এক্স ক্যাডেট ফরিদ উদ্দিন সিদ্দিকীর কথা। কেননা আমি বিএনসিসি এবং রোভার স্কাউট দুটোই করেছি, তবে রোভার মেট হিসাবে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে খায়র, মহসিন ও আযাদ ভাই এই তিনজনতে স্কাউটে চাকুরী বা পেশা হিসেবেই বেছে নিয়ে এখনো কর্মরত আছেন। তবে আমার প্রিয় মাসুক আলতাফ চৌধুরী সাংবাদিকতার পেশায় যোগদানই করেননি রীতিমত ষ্টার হয়েছেন।

আমি দূর থেকে দেখি মনে মনে খুবই আনন্দবোধ করি, পেশাগত দায়িত্ব পালনে সবাইকে খুশী রাখা সম্ভব নয় বিশেষ করে সাংবাদিকতায়তো নয়ই, তারপরও আগে যে মানের সাংবাদিকরা ছিলো মাঝে তার অবনতি হলেও মাসুক আলতাফ চৌধুরীর মেধা সম্পর্কে আমি অতি নিকট থেকে জানি তাই আশা করা যায় মাসুকের নেতৃত্বে কুমিল্লা প্রেস ক্লাব এর উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবেই বলে আমার ধারনা:

বিঃদ্রঃ এখন কুমিল্লা প্রেস ক্লাব অনেক সুন্দর পরিবেশ। এটিএম বুথ, কমিউনিটি সেন্টার, কাবাব হাউস সব ঠিক আছে, কিন্তু একমন দুধের মধ্যে যেমন এক ফোটা চনা সব ধ্বংস করে দেয় তেমনি, প্রেস ক্লাব এলাকাকে রেন্ট এ কার, ড্রাইভার, অবৈধ মটর অয়েল বিক্রি, অবসর ড্রাভার শ্রেণী জুয়া, এমনকি মাদকের কেনা বেচা এবং ওপেন মাদক সেবন, গাড়ী ভাড়ার জন্য গেলে ড্রাইভারদের মধ্যে টানা হ্যাচরা, ঝগড়াঝাটি, কেমন একটা হৈ হুল্লোর যা খুবই প্রেস ক্লাবের পরিবেশের সাথে বেমানান।  তাই সভাপতি, ইয়ারমিট, বন্ধু প্রেসক্লাবের সফল সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী সহ কার্যকরী কমিটির দৃষ্টি আকর্ষন করছি। কেননা এমন একটা অঙ্গনের পরিবেশ এমন হবে বা থাকুক তা আমাদের কারোরই কাম্য নয়। তাই এ ব্যাপারে সকলের সুদৃষ্টি কামনা করে সকলে সালাম ও ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি”
(আমি পেশায় এডভোকেট হলেও এ জগতে বিচরণ আছে বলেই এ বিষয়ে লিখলাম)

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন