”কেন সাক্ষী ছাড়া বিচার হয়না (হযরত মুসা আঃ এর জীবনী থেকে নেয়া)

এড.মোঃ সলীমুল্লাহ খান: মামলার আরজীতে আবশ্যকীয় কলাম বা তথ্য থাকতে হবে নাহলে মামলা আমলে নেয়া যায়না বা নেয়া হয়না বা নিলে এটা খারিজ হতে বাধ্য,
১)কোন কোর্টের কার আদালতে মামলাটি দাখিল করা হচ্ছে তা লিখতে হবে, ২)সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলাদাখিল করতে হবে মানে এখতিয়ারাধীন আদালতে ৩)বাদী বিবাদী গনের নাম ঠিকানা বয়স উল্লেখ করতে হবে ৩)সাক্ষীদের নাম ঠিকানা লেখতে হবে ৫)ঘটনার দিন, তারিখ, সময় ও স্থান উল্লেখ করতে হবে ৬)কোন আইনের কত ধারা মোতাবেক বিচারের প্রর্থণা তাহা উল্লেখ করতে হবে ৭)অভিযোগ হেডিং লিখে মামলার কার্য্যকারণ বা কারণ উপজাত হওয়ার ব্যাপারটা লিখতে হবে ৮)উপরে উল্লেখিত ঘটনার বিবরণ লিখতে হবে ৯)ধারার অভিযোগ সংশ্লিষ্টতার বর্ণনা সঠিকভাবে লিখতে হবে ১০)অভিযোগ দাখিলের বিলম্ভের কারণ উল্লেখ করতে হবে ১১)বাদীর নিজ নাম স্বাক্ষর যথাস্থানে করতে হবে ১২)বাদী স্বয়ং আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে।

ফৌজদারী কার্বিধির ১০৭ সেকশানের মামলা দ্বিতীয় পক্ষের আইনজীবী হিসাবে জবাব শুনানী করতে গেলাম” প্রথম পক্ষের মামলার আরজীতে দেখলাম সাক্ষীর কলামই নাই, তখন আমি এই পয়েন্টে অল্প বয়সী মহিলা ম্যাজিষ্ট্রেট স্যারের অনুমতি নিলাম সাক্ষীর গুরুত্ব সম্পর্কে মুসা আঃ এর জীবনের অংশ বিশেষ বর্ননা করার”

হযরত মুসা আঃ তুর পাহড়ে আল্লাহর সাথে কথা বলতে যাওয়ার সময় ”এক মহিলার অনুরোধ আল্লাহর নিকট থেকে জানতে সে সতী কিনা, আল্লাহ বললেন সে সতী, এই মহিলাকে এভাবে তিনবার মুসা আঃ জানালেন যে আল্লাহ বলছেন তুমি সতী” তখন মহিলা বললো তোমার আল্লাহ কিছুই জানেনা, আমি আমার ছেলেকে বুঝতে না দিয়ে, ধোকা দিয়ে তার সাথে শারিরীক মিলন করে মহা জিনার কাজ করেছি” আজকে ঘটনা না বলে তোমার আল্লাহকে প্রশ্ন করবা, হযরত মুসা আঃ তাই করলেন যে আল্লাহ পাক ঐ মহিলা সতী না অসতী, এবার আল্লাহ বললেন ”অসতী” পাল্টা প্রশ্ন তাহলে গত তিনবার কেন বললেন সতী, আল্লাহ পাক বললেন সে যে পাপ করেছে আমি আল্লাহ ছাড়া পৃথিবীর কেউ জানতোনা, এখনতো ”তুমি একজন জেনে গেলে এবং সাক্ষী হয়ে গেলে তাই তার শাস্তি হবে এ জন্য বলেছি ”অসতী”

তখন প্রথম পক্ষের মামলাটি সাক্ষির কলাম না থাকায় নথীভুক্ত অর্থাৎ খারিজ করার আদেশ দিয়ে দিলেন”

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন