খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলায় প্রবাসে বিএনপির নিন্দা

সময় বাংলা, লন্ডন: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহর ও তার সফরসঙ্গী সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক শাখার নেতৃবৃন্দ।

এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘স্বৈরাচারী মিয়ানমার সরকারের নিষ্ঠুরতায় বাস্তুহারা অসহায় রোহিঙ্গা মুসলিমদের মাঝে বেগম জিয়ার মানবিক ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি ছিল পূর্বনির্ধারিত। সার্বিক সহায়তা ও নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কক্সবাজারগামী গাড়িবহরে সরকারদলীয় অস্ত্রধারী ক্যাডার বাহিনী অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এটা মানবিকতা এবং মানবতার ওপর নির্লজ্জ আক্রমণ। আমরা এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রকৃত দোষী গুণ্ডাদের অবিলম্বে শাস্তি দাবি করছি।’

নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আমরা মনে করি আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। বেগম জিয়ার জনপ্রিয়তা ও তার প্রতি মানুষের ভালোবাসা দেখে আওয়ামী লীগ শংকিত হয়ে পড়েছে। তাই ঈর্ষান্বিত হয়ে এই হামলা পরিচালনা করেছে। এর দায় মিসেস ওয়াজেদ কোনভাবেই এড়াতে পারবেন না। দেশের মানুষ এই হামলার জবাব কড়ায় গণ্ডায় দেবেই।’

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে বিএনপি সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার আবু সায়েম এ ঘটনাকে সরকারের জন্য চরম লজ্জার ও আত্মঘাতী বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, “আওয়ামী লীগ সভ্য জগতের সকল নিয়মনীতি ভুলতে বসেছে। মানবিক একটি কাজে সহযোগিতার পরিবর্তে তাদের সন্ত্রাসীবাহিনী যেভাবে হামলা-ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে তা তাদের পৈশাচিক চরিত্রেরই বহি:প্রকাশ। বাংলাদেশের জনগণ শাসকগোষ্ঠীর এমন আচরণ কখনোই মেনে নেবে না।” ব্যারিস্টার সায়েম এ ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবী করে এর পুনরাবৃত্তিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারকে পরামর্শ দেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা ও বিএনপির বৈদেশিক দূত জাহিদ এফ সরদার সাদী, সৌদী আরব বিএনপির সভাপতি আহেমদ মুকিব, সৌদী আরব পশ্চিমাঞ্চল বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা আব্দুর রহমান, সহ-সভাপতি সিআইপি কেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক, সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু, সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি গিয়াস আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ বশির, কানাডা বিএনপি নেতা ক্যাপ্টেন(অবঃ)মারুফ রাজু, সুইডেন বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা মহিউদ্দিন আহমেদ ঝিন্টু, সভাপতি এমদাদ হোসেন কচি, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আবেদীন মোহন, ডেনমার্ক বিএনপির সভাপতি গাজী মনির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক, ফিনল্যান্ড বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান জনি, সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার মো. আশরাফ, গ্রীস বিএনপির সভাপতি জিএম মুখলেসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন ঠাকুর, নেদারল্যান্ডস বিএনপির সভাপতি শরিফ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ইতালী বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ঢালী নাসির উদ্দিন, জার্মানী বিএনপির সভাপতি আকুল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক গণি সরকার, বেলজিয়াম বিএনপির সভাপতি আহমেদ সাজা, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন বাবু, নিউজিল্যান্ড বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান খান চৌধুরী, লেবানন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার, সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন, সহ সভাপতি আমিনুল ইসলাম আইমান, আবু বক্কর, জসিম উদ্দীন, সংযুক্ত আরব আমীরাত বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দু সালাম তালুকদার, ওমান বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ওসমান গণি, মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি ইন্জিনিয়ার বাদলুর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, ফ্রান্স বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ সাইফুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ তাহের, স্পেন বিএনপির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার, অস্ট্রিয়া বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান বকুল, সুইজারল্যান্ড বিএনপি নেতা শামীম বিশ্বাস, মইনুল হক খান অপু, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, গোলাম মারুফ শাহীন, পারভেজ সাজ্জাদ, আবু সাঈদ আহমদ, মতিউর রহমান (লিটু), এবাদ চৌধুরী, এম এ বাতিন, আয়ারল্যান্ড বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেন, কবির আহমেদ এবং হামিদুল নাসির।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন