চলে গেলেন বিজ্ঞানী স্টিভেন হকিং

সময়বাংলা, ডেস্ক: অবশেষে শেষ হল সেই মহাজীবনের। বুধবার ভোররাতে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজে, নিজের বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করছেন স্টিফেন হকিং। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৭৬।

জীবদ্দশাতেই তিনি কিংবদন্তী হয়ে উঠেছিলেন। ঘটনাচক্রে তাঁর জন্ম আর মৃত্যুর সঙ্গে জুড়ে রইল বিজ্ঞানের আরও দুই কিংবদন্তী পদার্থবিদের নাম। তাঁর জন্মদিন ৮ জানুয়ারি গ্যালিলিও গ্যালিলির মৃত্যুদিন। আর যে দিন মারা গেলেন হকিং, সেই ১৪ মার্চ অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের জন্মদিন।

স্টিভেন উইলিয়াম হকিং, সিএইচ, সিবিই, এফআরএস, পিএইচডি, বিশিষ্ট ইংরেজ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ হিসেবে বিশ্বের সর্বত্র পরিচিত ব্যক্তিত্ব।

তাঁকে বিশ্বের সমকালীন তাত্ত্বিক পদার্থবিদদের মধ্যে অন্যতম হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তিনি কেমব্রিজের গনভিলি এবং কেয়াস কলেজের ফেলো হিসাবে কাজ করেছেন।

শারীরিকভাবে অচল এবং এ.এল.এসের (এমায়োট্রফিক ল্যাটারাল স্ক্লেরোসিস বা লাউ গেহরিগ রোগ – যা একপ্রকার মোটর নিউরন রোগ) জন্য ক্রমাগতভাবে সম্পূর্ণ অথর্বতার দিকে ধাবিত হওয়া সত্ত্বেও বহু বছর যাবৎ তিনি তাঁর গবেষণা কার্যক্রম সাফল্যের সঙ্গে চালিয়ে যান।

পদার্থবিজ্ঞানে হকিংয়ের দুইটি অবদানের কথা সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত। প্রথম জীবনে সতীর্থ রজার পেনরাজের সঙ্গে মিলে সাধারণ আপেক্ষিকতায় সিংগুলারিটি সংক্রান্ত তত্ত্ব। হকিং প্রথম অনিশ্চয়তার তত্ত্ব ব্ল্যাক হোল-এর ঘটনা দিগন্তে প্রয়োগ করে দেখান যে ব্ল্যাক হোল থেকে বিকিরিত হচ্ছে কণা প্রবাহ।

পন্টিফিকাল একাডেমি অব সায়েন্সের আজীবন সদস্য ছিলেন ২০১৪ সালে তাঁকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র তৈরি হয়, যেটির নাম থিওরি অব এভরিথিং।

সারা পৃথিবীর সকল বিজ্ঞানী স্টিভেন হকিং এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে। এদিকে নাসা তাদের টুইটার একাউন্টে শোক প্রকাশ করেছে।

সময়বাংলা/ আইজু

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন

এ বিভাগের আরো খবর