ভারত বন্ধু মহান দেশ, চাইলাম পানি দিল বিষ

এড. সলিমুল্লাহ খান: সরকারের হিসাবমতে হাওরের পানিদূষণে প্রায় ৪১ কোটি টাকার ১ হাজার ২৭৬ টন মাছ মারা গেছে। এ ছাড়া মারা গেছে ৩ হাজার ৮৪৪টি হাঁস। কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে, পানিতে অক্সিজেন একেবারেই কমে যাওয়ায় এবং অ্যামোনিয়া ও অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে মাছ মারা গেছে।

বুঝলাম, তো ৩ হাজার ৮৪৪ টি হাঁস যে মারা পড়লো সেগুলো ক্যামনে মরলো? পানিতে তেজস্ক্রিয়তা যদি নাই থাকে তবে হাঁস মরবে কেন? হাঁস তো আর পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করেনা। নাকি হাঁসগুলো মাছ মরে যাচ্ছে দেখে সে দু:খে আত্মহত্যা করছে? নাকি হাঁস মাছ কিছুই মরেনি, সব আসলে শাপলা চত্বরে হেফাজত কর্মীদের মত মটকা মেরে পড়ে আছে।

জনস্বার্থে কোন তদন্তে এদেশে যে পরিমানে সত্য মিথ্যা দেখানো হয় সে হিসেবে পানি বিশেষজ্ঞ বৈজ্ঞানিক দলের হাওড়ের পানিতে ইউরেনিয়াম নেই এই রিপোর্টকে চোখ বুঝে বিশ্বাস করার কোন উপায় নেই। চোখের পাতা না ফেলে এই হারামজাদারা মিথ্যে কথা বলতে পারে। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিএনপির উচিত নিজেদের তত্বাবধায়নে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে হাওরের পানিতে ইউরেনিয়ামের অস্তিত্ব আছে কি নেই সেটার একটা পরীক্ষা চালানো।

হাওড়ের দুর্গত মানুষগুলোর পাশেও দাঁড়ানো উচিত। বিএনপির যতটুকু সাধ্য ততটুকুই না হয় করুক। শুধু নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবী নিয়ে পড়ে থাকলেই তো হবেনা, দেশের প্রান্তিক মানুষগুলোর দু:সময়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে না পারলে জনগণ আপনাদের দাবী শুনবেই বা কেন?

প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিটি বিশেষজ্ঞ দল করা যেতে পারে। সাথে বাংলাদেশের গবেষক, সাংবাদিক (হলুদ, লাল, নীল সব), (এনজয়কারী) এনজিও সব থাকবে। এরপরও এর কারণ আবিষ্কার করা একান্ত দরকার এর প্রতিষেদক। প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়া, জনগনকে সঠিক তথ্য জানানো।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন