জিয়া পরিবারকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার দাবি বিএনপির

নিজস্ব প্রতিওনিধি: জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি। রোববার রাতে বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ দাবি জানানো হয়।

আজ সোমবার দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে দলটির শীর্ষ নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচার করে বিনিয়োগের যে অভিযোগ এনেছেন,তা মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। বিএনপি এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন-দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য যথাক্রমে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার,তরিকুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৈঠকে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা নজীরবিহীন দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া সারা দেশে বিনা অজুহাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার এবং মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে।
খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতাসহ সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান বিএনপি নেতারা।

সম্প্রতি চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব দ্রব্যের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বেড়ে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে উল্লেখ করে বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বেশকিছু কর্মসূচি পালনের। এরমধ্য দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী ১৩ ডিসেম্বর রংপুর সিটি করপোরেশন বাদে ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়।

এ ছাড়া রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষে সব দলকে সমান সুযোগ দেওয়া এবং নিরাপত্তার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানায় বিএনপি।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন