নিম্ন আর উচ্চ আদালত সবই হাসিনার ক্যাঙ্গারু কোর্ট: জাহিদ এফ সরদার সাদী

জাহিদ এফ সরদার সাদী: “নিম্ন আর উচ্চ আদালত সবই হাসিনার ক্যাঙ্গারু কোর্ট” ১১ দিনে কোর্টের দেয়া সার্টিফাইড নথির আর মুল্য কি রইল? এই ঘটনা হাইকোর্টের ইতিহাসে বিরল।

সার্টিফাইড নথির মাধ্যমেই নিম্ন আদালত আর উচ্চ আদালতের স্বাভাবিক কর্মকান্ডের প্রক্রিয়া চলে বছর ২-৩, আর সেই সময় উচ্চ আদালতে আমলে নেয়া মামলাতে হয় জামিন আর পরবর্তীতে আসামী পক্ষের পিটিশন উপর নিম্ন আদালতের রায়ের আদেশের উপর স্থগিতাদেশ যেটাকে ইংলিশে আমরা বলে থাকি স্টে অর্ডার তার উপর তাৎক্ষণিক হাইকোর্টের নির্দেশ এবং তারপর বছর দুই তিন গড়িয়ে শুনানির দিন ধার্য।

কিন্তু, আজ নিম্ন আদালতের নথি আসার পর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট সংক্রান্ত মিথ্যা ও সাজানো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন হাসিনার নিয়োগপ্রাপ্ত দুই বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। হ্যাঁ ধরে নিলাম, ইহাই ন্যায়বিচার। কিন্তু হত্যা মামলার আসামি জামিন পাবে, ২ লক্ষ পিস ইয়াবা নিয়ে ধরা খেয়েও জামিন পাবে কিন্তু মিথ্যা, ভুয়া ও জাল নথির মাধ্যমে সাজানো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জামিন পাবেন না ৭৩ বৎসর বয়স্ক অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া!

বঙ্গ ভরা রঙ্গ ঘড়ির কাটায় নথি হাইকোর্ট চত্তরে পৌঁছালে জামিন মন্জুর যদি করেও, তবে হাইকোর্ট বেঞ্চ বাদী পক্ষের আহ্ উহ্’র কারনে শুনানির দিন ধার্য্য করবে যাতে করে নিম্ন আদালতের রায়ের উপর স্থগিতাদেশের (স্টে অর্ডার চাওয়া বা পাওয়ার) আর কোন বালাই না থাকে।

“হাসিনার ক্যাঙ্গারু কোর্টের হিসাব নিকাশে গণভবনের গন্ধে ভরা”। “আমাদের আইনজীবিরা কি বুঝতে পারছেন? যে হাইকোর্ট তড়িঘড়ি করে নথি তলবের কারন নির্বাচনের পুর্বে দ্রুত মামলায় শুনানির দিন ধার্য্য করে আপিল নিষ্পত্তি করা আর হাসিনার উদ্দেশ্য হাসিল করা”।

বাংলাদেশের তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক বৈদেশিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির বিশেষ দূত জাহিদ এফ সরদার সাদীর ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া পোষ্টটি হুবহু তুলে ধরা হল।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন

এ বিভাগের আরো খবর