ফটিকছড়িতে ভারি বর্ষন ও খালের ভাঙ্গনে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী : যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

এম সেলিম, সময় বাংলা প্রিতিনিধি: দুই দিনের টানা ভারী বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে ফটিকছড়ির নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ২ টি পৌর এলাকাসহ ১৫ টি ইউনিয়নের শস্য ক্ষেত্র ও রোপা আমন বল্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। পুকুর ও মাছের প্রজেক্ট ডুবে, ভেসে গেছে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ। উপজেলার গুরুত্বপুর্ন প্রায় সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফটিকছড়ি পৌরসভাধীন দাশ পাড়া, কান্দিরপাড়া, পাঁচ পুকুরিয়া এলাকায় ধুরুং খালের বেড়িবাধ ভেঙ্গে সুন্দরপুর বড়ুয়া পাড়া, ছোটছিলোনয়া, টাইগার ক্লাব, আজিমপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়। এছাড়াও হালদার বেড়ীবাধ ভেঙ্গে ফটিকছড়ি হেয়াঁকো সড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে ডুবে যাওয়ায় দাঁতমারা, নারায়ানহাট, ভূজপুরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে এলাকার মানুষ। ডুবে গেছে স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদ।

এদিকে কাজিরহাট নাজিরহাট এলজিইডি সড়কে হারুয়ালছড়ি ইউপির কাজী বাড়ি এলাকায় ফটিকছড়ি খালের বেড়ীবাধ ভেঙ্গে যাওয়ায় সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অপরদিকে দক্ষিন ফটিকছড়ির নানুপুর, ধর্মপুর, বক্তপুর, আব্দুল্লাপুরের প্রায় এলাকা পানিতে ভাসছে।

প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার রায়, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি আবু হাসনাত মো: শহিদুল হক, পৌর মেয়র আলহাজ্ব ইসমাইল হোসেন, চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ, কমিশনার গোলাপ মওলা গোলাপ, বিবিরহাট বনিক কল্যান সমিতির সভাপতি দিদারুল বশর চৌধুরী দুদু ও সম্পাদক দুলাল। এদিকে বিকাল ৫ টায় পৌর মেয়র আলহাজ্ব ইসমাইল হোসেনের উদ্যোগে পৌর এলাকার পানিবন্দী মানুষদের মাঝে শুকনা খাবার ও ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন