ফেসবুক প্রোফাইল দেখে কিভাবে চিনবেন কোন মানুষ কেমন

hqdefault

সময় বাংলা, বিনোদন ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল থেকে মানুষকে ঠিক কতটা চেনা যায়? সত্যি বলতে কী অনেকটাই। আর মনোবিদরা বলবেন, প্রায় পুরোটাই। কেউ কী ধরণের ছবি আপলোড করছেন প্রোফাইলে, কী স্টেটাস আপটডেট দিচ্ছেন তার থেকে পরিচয় পাওয়া যায় তার ব্যক্তিত্বের, জীবন যাপনের। জেনে নিন কী ভাবে।

ঘন ঘন ছবি বদলঃ

যাঁরা ঘন ঘন প্রোফাইল ছবি বদল করেন নিরাপত্তাহীনতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব, সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যা ভোগেন। এরা রহস্যজনক, সব সময় অসন্তুষ্ট এবং অন্যকে সহজে বিশ্বাস করেন। কারও কারও মধ্যে স্প্লিট পারসোনালিটির সমস্যাও দেখা যায়।

প্রোফাইলে সেলিব্রিটির ছবিঃ

এরা বাস্তববাদী নন। অন্যদের আদর্শ মনে করেন ও সাধারণত জীবনে সফল হতে পারেন না। এরা অন্যের কথায় চলেন। নিজেদের ব্যাপারে কথা বলতেও সঙ্কোচ বোধ করেন।

অন্তরঙ্গ ছবিঃ

এরা সব সময় নজর কাড়তে, গুরুত্ব পেতে চান। হীনমন্যতায় ভোগেন। সে কারণে নিজেদের বেশি প্রকাশ করে ফেলেন। এদের ছবি আত্মসম্মানের অভাব ও অপরিণত মনের পরিচয় দেয়। সম্পর্কে এরা বিশ্বাস রাখতে পারেন না। যারা জীবনে কোনও সময় সম্পর্কের সমস্যার মধ্যে দিয়ে গেছেন তারা সাধরণত এমন ছবি দিয়ে থাকেন।

স্টেটাস মেসেজে কুরুচিকর শব্দঃ

এরা জীবনে অনেক ব্যর্থতা ও সমালোচনার মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন। পজিটিভ অ্যাটিটিউডের অভাবে এরা হতাশায় ভোগেন। অনেক সময় যারা ভাল কথাবার্তা বলতে পারেন না, গুরুত্ব পান না, তারা অতিরিক্ত কটূ শব্দ ব্যবহার করে গুরুত্ব পেতে চান। জীবনে ব্যর্থতা, হতাশা উগরে দিতে এরা সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে থাকেন।

ঘন ঘন স্টেটাস মেসেজ বদলঃ

যারা এমনটা করেন তারা বেশির ভাগ সময়ই নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনের কথা লিখে থাকেন। যা তাদের হীনমন্যতায় ভোগার পরিচয় দেয়। অনেক সময় কম বিচার-বুদ্ধির মানুষরাও এমনটা করে থাকেন। সিদ্ধান্তে অচল থাকতে পারেন না এরা। কথা বেশি বলে কম কাজ করেই কাটাতেন চান এরা।

যারা সব সময় ব্যস্তঃ

কেউ কেউ এটা ইচ্ছা করেই করেন। যখন এটা অভ্যাসে পরিণত হয়, তখন তাকে সোশ্যাল উইথড্রয়াল সিনড্রোম বলা হয়। এরা শুধু তাদের সঙ্গেই কথা বলেন যারা তাদের কাজে আসেন। এরা প্রায়ই অবসাদে ভোগেন।

প্রোফাইলে ভয়াবহ ছবিঃ

কেউ কেউ খুবই জটিল ও রহস্যজনক হন। তাদের বুঝে ওঠা কঠিন। এরা নিজেদের ব্যাপারে বিশেষ কিছু বলতে চান না। নিজেরাই নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে নিতে চান। এদের জীবনে সব কিছু ঠিক থাকলেও এরা মনে করেন কিছু ঠিক নেই। এরা নিজেদের চেহারা নিয়েও সচেতন।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন