মতলব উত্তরে নলকূপের পাইপে ওঠা গ্যাসে রান্না

মনিরুল ইসলাম মনির, সময় বাংলা প্রতিনিধি: :গভীর নলকূপের পাইপে ওঠা গ্যাস দিয়ে দেদারছে রান্নার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে একটি পরিবার। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার হুমকিতে আছে পুরো একটি বাড়ি। মতলব উত্তর উপজেলার ছেঙ্গারচর পৌরসভার রুহিতারপাড় গ্রামের আলফাজ উদ্দিনের ঘরের পার্শ্বে নলকূপ (টিউবয়েল) স্থাপন করলে ওই পাইপ দিয়ে বের হওয়া গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে।

জানা গেছে, গত ৪ জুন নলকূপ স্থাপন করার সময় গ্যাস বের হওয়ার ঘটনাটি বুঝতে পারে আলফাজ উদ্দিনের ছেলে সুজন। পরে ওই নলকূপের পাইপ থেকে লাইন টেনে চুলায় লাগিয়ে দেয়। এরপর থেকেই ওই গ্যাসে ভাত রান্না, তরকারি রান্না, ডিম ভাজা’সহ সকল ধরনের রান্নার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। সরেজমিনে গেলে ওই গ্যাসের চুলাটি দিয়ে একটি ডিম ভেজে এ প্রতিবেদককে দেখান সুজন।

সুজন বলেন, টিউবয়েল বসানোর শেষ পর্যায়ে পানিতে বুদবুদিয়ে বাতাস উঠছিল। গ্যাস হতে পারে এমন মনে করে আগুন জ্বালিয়ে পরীক্ষা করে দেখলাম সতিই গ্যাস। পরে টিউবয়েলের পাইপে থাকা পানি ও বাতাস সরিয়ে টিউবয়েলের পাইপ থেকে একটি ১ ইঞ্চি পাইপ টেনে মাটির চুলায় লাগিয়ে দিই। এরপর থেকেই গত ৯ দিন যাবৎ ওই গ্যাসে আমরা রান্নার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। প্রথমে ভেবেছিলাম এটা কোন ময়লা আবর্জনা থেকে সৃষ্টি হওয়া সামান্য গ্যাস। কিন্তু ৫-৭ দিন ব্যবহার করার পর দেখলাম গ্যাস শেষ হয় না। এরপর বিষয়টি বিভিন্ন মানুষকে জানাই। তিনি আরো বলেন, গত এক বছর আগেও আমাদের পুকুরে পাইপ স্থাপন করার সময় এরকম হয়েছিল। তখন বিষয়টি বুঝতে পারিনি।

স্থানীয় কয়েজন জানান, এটি একটি চমৎকার বিষয়। কিন্তু এটা যদি আসল গ্যাস হয়ে থাকে, তাহলে এই গ্যাস ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বিপজ্জনক। কারণ ফিল্টার ছাড়া গ্যাস ব্যবহারে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।
মতলব উত্তর সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম রুহুল আমিন রিমন বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে দেখবো। যদি আসল গ্যাস হয় তাহলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন