মতিয়া চৌধুরীরা জন্মদান ক্ষমতা না হারালে বাংলাদেশের জন্ম হতো না!

সময়বাংলা, ঢাকা: যারা মতিয়া চৌধুরীর নাম নিয়ে বা হিজড়া বলে বিভিন্নভাবে ট্রল করছেন তাদের বলছি। বাংলাদেশের জন্ম দিতে গিয়া মতিয়া চৌধুরীরা প্রজনন ক্ষমতা হারান। অনেকেই জানেন না, পাকিস্থানি পুলিশী নির্যাতনে মতিয়া চৌধুরী জন্মদানের ক্ষমতা হারান। সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক, কমিউনিস্ট কর্মী প্রয়াত বজলুর রহমান তা জেনেই মতিয়া চৌধুরীকে বিয়ে করেন। মতিয়া চৌধুরীরা জন্মদান ক্ষমতা না হারাইলে বাংলাদেশের জন্ম হতো কিনা সন্দেহ। মতিয়া চৌধুরী সংসদে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়া যে বক্তব্য দিছে তা অবশ্যই নিন্দাযোগ্য। তা প্রত্যাহার করা উচিত। কিন্তু তাই বলে আপনি তারে নিয়া যা তা বলে যাবেন তা হয় না। ইতিহাস জানেন, ইতিহাসের সঠিক মূল্যায়ন করেন।

লেখক: মেহেদী হাসান নোবেল, সহসাভাপতি, ছাত্র ইউনিয়ন।

অপরদিকে মেহেদী নোবেলের বক্তব্যের উপর কমেন্ট করে এর পক্ষে বিপক্ষে অনেকে মন্তব্য করেছেন। নিচে উল্লেখ্য দুতি মন্তব্য দেয়া হল।

দীপক শিল নামে একজন কমেন্ট করে বলেছেন, রাজাকার চিরদিন রাজাকার থাকে কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা চিরদিন মুক্তিযোদ্ধা খেতাব নাও ধরে রাখতে পারে।

অন্যদিকে মোরশেদ হালিম নামে দুজনেরই বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেছেন, মতিয়া আপার বক্তব্য কেন প্রত্যাহার করতে হবে তিনি বলেছেন মুক্তিযোদ্ধা কোটা যারা মানেনা তারা রাজাকার। এখানে ভুলের কি আছে। দীপক দা, মেহেদী ভাই, তর্কে জড়াচ্ছেন কেন? আমি আপনাদের দুই জনের বক্তব্যের বিপক্ষে। মতিয়া আপা ঠিক বলেছেন।

লেখক: মেহেদী হাসান নোবেল, সহসাভাপতি, ছাত্র ইউনিয়ন।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন