মাঠে যা ব্যবহার করেন আম্পায়াররা

সময়বাংলা, খেলা: ক্রিকেট মাঠের অপরিহার্য অংশ আম্পায়ার। তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা এবং তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেয়ার দুর্দান্ত ক্ষমতা থাকতে হয় আম্পায়ারদের। মাঠে ঠাঁই দাড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও আম্পায়ারদের কাজ কিন্তু কম নয়। আর নিজেদের কাজের সুবিধার্থের তারা ব্যবহার করে থাকেন বেশ কিছু সরঞ্জাম। প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আম্পায়ারদের ব্যবহৃত এ সরঞ্জামগুলোতে এসেছে পরিবর্তন।

একনজরে দেখে নেয়া যাক মাঠে আম্পায়ারদের ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো।

বল গেজ: ক্রিকেট বলের বৈশিষ্ট্যই হলো, খেলা চলার সঙ্গে সঙ্গে এটির আকার পরিবর্তন হতে থাকে বা এটির বড় হতে থাকে। বলের আকার ঠিক আছে কি না তা পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয় বল গেজ। বলের আকারের সামান্যতম পরিবর্তন হলেও সহজেই ধরা পড়ে যায়।

বল গেজ

কাউন্টার: এক সময় বল, উইকেট সংখ্যা ইত্যাদির হিসেব রাখার জন্য কাগজ-কলম ব্যবহার করতেন আম্পায়াররা। সময় পাল্টেছে। এখন এসব হিসেব রাখার জন্য কাউন্টার নামক যন্ত্রের ব্যবহার করতে দেখা যায়।

লাইট-ও-মিটার

লাইট-ও-মিটার: ঠিক কতটা আলোয় খেলা চালানো সম্ভব সেটা পরীক্ষা করার জন্য মাঠে লাইট-ও-মিটার যন্ত্রের সাহায্য নেওয়া হয়। এটিতে ৩.৫ পর্যন্ত সংকেতকে ব্যাটসম্যানের জন্য খারাপ লাইট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ওয়াকি-টকি: আম্পায়ারদের ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলির মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। বহুল ব্যবহৃত। তৃতীয় আম্পায়ার, ম্যাচ রেফারি বা অন্য কারও সঙ্গে আলোচনার জন্য ওয়াকি-টকির সাহায্য নেওয়া হয়।

ওয়াকি-টকি

মার্বেল: এটির ব্যবহার এখন তেমন নেই বললেই চলে। কাউন্টার আসার আগে আম্পায়াররা ওভারে বলের হিসেব রাখার জন্য কখনো কখনো মার্বেল বল ব্যবহার করতো। অনেক সময় পাথরের টুকরো বা কয়েনও ব্যবহার করতো। এক্ষেত্রে সাধারণত, একটি বল হয়ে গেলে এক হাত থেকে অন্য হাতে একটি করে মার্বেল বল সরিয়ে নেয়া হয়। যখন ছয়টি বল দ্বিতীয় হাতে চলে যাবে তখন বুঝা যাবে ওভার হয়ে গেছে।

প্রটেকটিভ শিল্ড: উইকেটের সামনে দাঁড়ানো আম্পায়ারদের এটা ব্যবহার করতে দেখা যায়। ব্যাটসম্যানের শটে বেশ কয়েকবার আম্পায়ারদের আহত হওয়ার ঘটনা ঘটার পরই এই ঢালের ব্যবহার বেড়েছে।

 

সময়বাংলা/আইজু

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন