মামলার বাদীর করনীয়

সময়বাংলা: ফৌজদারী মামলা বলতে ঈৎরসরহধষ আর দেওয়ানী মামলা বলতে আমরা ঈারষ। মামলা বুঝি। ফৌজদারী মামলা পরিচালনা করা হয় ঈৎরসরহধষ চৎড়পবফঁৎব ঈড়ফব,১৮৪৮ বা ফৌজদারী কার্যবিধি মোতাবেক। আর দেওয়ানী মামলা পরিচালিত হয় ঈরারষ চৎড়পবফফঁৎব ঈড়ফব, ১৯৬৮ বা দেওয়ানী কার্যবিধি মোতাবেক। এর সাথে আরেকটা আইন আছে যাকে বলে ঊারফবহপব অপঃ, ১৮৭২ বা সাক্ষ্য আইন। যে মামলাগুলি আদালতে আনা হয় সেগুলি প্রমাণ করার জন্য কিভাবে অগ্রসর হতে হবে সেই বিষয়গুলি প্রমাণ করার জন্য কিভাবে অগ্রসর হতে হবে সেগুলো সাক্ষ্য আইনে বলা আছে। ফৌজদারী কার্যবিধির সাথে আরেকটা আইন আছে যেটাকে বলা হয় চবহধষ ঈড়ফব,১৮৬০ বা দন্ডবিধি অথবা বিশেষ আইন। এই দন্ডবিধি বা বিশেষ আইনের মধ্যে যে অপরাধগুলো হয় সেই অপরাধগুলোর শাস্তিগুলো সম্পর্কে বলা আছে। একটা অপরাধ যখন সংঘঠিত হয় তখন থানায় গিয়েও মামলা করা যায় বা সরাসরি কোর্টে গিয়েও মামলা করা যায়। কোর্টে গিয়ে যে মামলাটা করা হয় তাকে বলে ঈজ কেস এবং থানায় গিয়ে যে মামলা করা হয় তাকে বলে এজ কেস। কোথাও কোন ফৌজদারি অপরাধ যেমন খুন, মারামারি, ডাকাতি, চুরি ইত্যাদি সংঘঠিত হলে ক্ষতিগস্ত ব্যক্তির পক্ষে যে কেউ থানায় সংবাদ দিতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি নিজে বা তাঁর পরিবারের কেউ কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তি, যিনি ঘটনা ঘটতে দেখেছেন কিংবা ঘটনা সম্পর্কে অবগত আছেন, তিনি থানায় অভিযোগ (এজাহার) করতে পারেন। মূলত এজাহার করার মাধ্যমে থানায় মামলা করা হয়। এজাহার দাখিলের পর থানার ওসি ঋ.ও.জ (একটি নির্দিষ্ট ফরম) পুরন করে মামলা রুজু করবেন এবং একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করবেন। এরপর একজন পুলিশ উপ-পরিদর্শক বা তার উর্ধতন কোন পুলিশ অফিসার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে মামলাটির তদন্ত শুরু করবেন। এজাহার প্রাপ্তির ২৪ ঘনটার মধ্যে ঋ.ও.জ ফরম পুরন করে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে দাখিল করবেন। যাকে আমলী আদালত বলে। তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলাটির তদন্ত শুরু করার পর ন্যায় বিচার প্রাপ্তির লক্ষ্যে বাদী/সাক্ষী হিসাবে আপনার করনীয় জানা প্রয়োজন:-

তদন্তকালে করনীয়ঃ
(১) ফৌজদারী মামলার বিচারে এজাহার অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ঠিকমতো এজাহার দায়ের করতে না পারায় প্রতিনিয়ত অনেকেই বিচার পাবার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিচারকালে এজাহারে কোন ত্রুটি ধরা পড়লে তা আর সাধারণত সংশোধন করা যায় না। এজাহারের ওপর মামলার ভাগ্য অনেকখানি নির্ভর করে। একটি শক্তিশালী এবং শুদ্ধ এজাহার একদিকে যেমন আইনের শত ব্যাখ্যার মধ্যেও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে পারে অন্যদিকে ঠিক তেমনি দুর্বল ও অসঙ্গতিপূর্ণ এজাহার মামলার গুনগত মান নষ্ট করে বিচার বিলম্বিত করে আসামীদের জন্য বেকসুর খালাসের ব্যবস্থা করতে পারে। তাই বাদী হিসাবে এজাহার দায়ের করার পূর্বে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। তদন্তকালে এজাহারের কোন ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধনের জন্য সঠিক তথ্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করতে হবে; না হলে বিচার বঞ্চিত হয়ে চোখের জল ফেলতে হবে। (২) বাদী ও সাক্ষীদের সর্ব প্রথম কাজ হলো অপরাধের ঘটনাস্থল সংরক্ষন করা। তথা যেস্থানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে সেস্থান কোন পরিবর্তন না করে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করা। ঘটনাস্থলের বস্তুুগত সাক্ষ্য/আলামত কোন রুপ ক্ষতি সাধন না করা। (৩) কোন স্থান তল্লাশী, আলামত উদ্ধার ও জব্দ কালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। (৪) আসামীর সঠিক নাম, বয়স ঠিকানা যাচাই ও আসামী গ্রেফতার কাজে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহায়তা প্রদান করা। (৫) কে কে সাক্ষী হতে পারে তা শনাক্ত করা। ঘটনা জ্ঞাত ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী সন্ধান করে সাক্ষীদের নামের তালিকা তৈরি করে তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য উপস্থাপন করা। (৬) ঘটনাস্থলে সংঘটিত অপরাধের অপরাধী শনাক্তকরণের নিমিত্তে সিসিটিভি, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের ধারনকৃত ফুটেজ/ছবি সংগ্রহ, সংরক্ষন পূর্বক তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট উপস্থাপন করে প্রকৃত আসামী শনাক্তকরণে সহায়তা করা। (৭) চোরাই/লুণ্ঠিত মালামাল তালিকা সঠিকভাবে প্রদান করে চোরাই মাল উদ্ধার ও জব্দ করতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। (৮) অপরিচিত আসামী গ্রেফতার হলে উক্ত আসামী ঘটনায় জড়িত কিনা তা শনাক্ত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। (৯) ঘটনায় ব্যবহৃত রক্তমাখা অস্ত্র, রক্তমাখা কাপড়, পোষাক না ধুয়ে (বস্তুসাক্ষ্য) দ্রুত তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য উপস্থাপন করা। (১০) দালিলিক সাক্ষ্য দ্রুত তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য উপস্থাপন করা। (১১) আঘাত জনিত মামলার ক্ষেত্রে আঘাত গুরুতর না সাধারণ তা নিরুপনের জন্য ডাক্তারী মতামত জরুরী। বিধায় আহত ভিকটিমের চিকিৎসাকালে যেসব পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা হয়েছে উক্ত রিপোর্ট সমূহ ডাক্তারী সনদপত্র সংগ্রহ করার জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য উপস্থাপন করা।

বিচার চলাকালে করনীয়ঃ
তদন্ত শেষ হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা দুই ধরনের রিপোর্ট কোর্টে দাখিল করতে পারেন। তদন্ত শেষে যদি তদন্তকারী কর্মকর্তা দেখেন মামলাটি ভিত্তিহীন তাহলে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন অর্থাৎ মামলা এখানেই শেষ। আর তদন্ত শেষে যদি অপরাধ হয়েছে নিশ্চিত হন তা হলে চার্জশিট দাখিল করবেন। বিচারচলাকালে ন্যায় বিচার প্রাপ্তির জন্য বাদী করনীয় হলো- (১) মামলা তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র অথবা চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিলে কিংবা অভিযোগের কোনো ভিত্তি খুঁজে না পেলে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করলে উক্ত প্রতিবেদনে আপনি সন্তুষ্ট না হলে পুলিশ প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী(বাদী) কোর্টে নারাজি দিতে পারেন। অর্থাৎ পুলিশ প্রতিবেদনে তিনি কেন সন্তুষ্ট নন, আদালতে সে কারণ দর্শিয়ে অভিযোগটির পুনঃতদন্তের আবেদন করতে পারেন। তবে প্রয়োজন মনে করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগটির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অথবা অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশকে বা বিচার বিভাগীয় তদন্ত করার উদ্দেশ্যে তিনি নিজে বা তাঁর অধস্তন অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন। (২) পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করলে উক্ত প্রতিবেদনে বাদী সন্তুষ্ট হলে পুলিশ প্রতিবেদন বা চার্জশিট দাখিলের পর কোর্ট চার্জ শুনানির দিন ধার্য্য করবেন। চার্জ শুনানির দিন আসামীর আইনজীবী যদি আইনগতভাবে কোর্টকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে আসামী নির্দোষ তাহলে কোর্ট মামলাটি খারিজ করে দিতে পারেন অর্থাৎ মামলা এখানেই শেষ। আর যদি কোর্ট চার্জ গঠন করেন তাহলে সাক্ষী গ্রহনের দিন ধার্য্য করবেন। চার্জ গঠনের পর আসামী পলাতক থাকলে পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করবে। ওয়ারেন্ট জারির পর পলাতক আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে হবে। তার পরও যদি আসামীরা আদালতে হাজির না হয় বা তাদের হাজির করা না যায় তবে তাদের আদালতে একটি নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির হবার জন্য দৈনিক জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বলা হবে। এরপর বিজ্ঞপ্তি জারির পরও যদি আসামিরা আদালতে হাজির না হয় তবে আদালত তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার কার্যক্রম শুরু করে থাকে। (৩) সাক্ষ্য গ্রহনের দিন ধার্য্য হলে ধার্য্য তারিখে সাক্ষীদের আদালতে উপস্থপনের ব্যবস্থা করতে হবে। সাক্ষী গ্রহন শেষ হলে কোর্ট অৎমঁসবহঃ (যুক্তি তর্ক) এর জন্য দিন ধার্য্য করবেন। যুক্তি তর্ক শেষে কোর্ট রায় দিবেন। রায় দুই ধরনের হতে পারে- খালাস অথবা কারাদন্ড। কোর্ট মামলার এজাহার থেকে শুরু করে যুক্তি তর্ক পর্যন্ত মামলার সকল কার্যক্রম বিবেচনায় এনে বিচারিক মানসিকতায় রায় প্রদান করেন। (৩) সিআর মামলা নালিশকারীকেই ব্যক্তিগতভাবে আইনজীবী নিযুক্ত করে মামলা পরিচালনা করতে হয়। জিআর মামলা পরিচালনার জন্য আপনি একজন আইনজীবী নিয়োজিত করতে পারেন। তবে থানায় এজাহার রুজুর মাধ্যমে কিংবা ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে নেওয়ার আদেশ দিলে রাষ্ট্র তখন মামলার পক্ষ হয়ে পরবর্তী সময়ে মামলা পরিচালনা করে। কিন্তু নালিশি মামলার ক্ষেত্রে কেউ অভিযোগ করে পরবর্তী শুনানির দিন যদি সে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির না হয় বা ঘটনা তদন্ত শেষে যদি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ না হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি খারিজ করে দিতে পারেন। অভিযোগকারী চাইলে এ ধরনের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে বা হাইকোর্ট বিভাগে ৬০ দিনের মধ্যে রিভিশন আবেদন করতে পারেন।
বাস্তবতা হচ্ছে আমাদের দেশের অধিকাংশ বিচারপ্রার্থীর আইন অজ্ঞ, অসহায় ও দরিদ্র অজ্ঞতা, দৈনতা ও নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার কারণে আদালত পর্যন্ত পৌঁছাতে না পারায় ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত হয়। বিচারপ্রার্থীর অধিকার নিশ্চিত করতে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারের আইনি সহায়তা প্রদান কর্মসূচিও ব্যাপক পরিসরে বাড়লে উপকার পাবে সাধারণ মানুষ।
জনসচেতনায়- মোঃ সাব্বির রহমান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত), বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
মামলার বাদীর করনীয়
ফৌজদারী মামলা বলতে ঈৎরসরহধষ আর দওেয়ানী মামলা বলতে আমরা ঈারষ। মামলা বুঝ।ি ফৌজদারী মামলা পরচিালনা করা হয় ঈৎরসরহধষ চৎড়পবফঁৎব ঈড়ফব,১৮৪৮ বা ফৌজদারী র্কাযবধিি মোতাবকে। আর দওেয়ানী মামলা পরচিালতি হয় ঈরারষ চৎড়পবফফঁৎব ঈড়ফব, ১৯৬৮ বা দওেয়ানী র্কাযবধিি মোতাবকে। এর সাথে আরকেটা আইন আছে যাকে বলে ঊারফবহপব অপঃ, ১৮৭২ বা সাক্ষ্য আইন। যে মামলাগুলি আদালতে আনা হয় সগেুলি প্রমাণ করার জন্য কভিাবে অগ্রসর হতে হবে সইে বষিয়গুলি প্রমাণ করার জন্য কভিাবে অগ্রসর হতে হবে সগেুলো সাক্ষ্য আইনে বলা আছ।ে ফৌজদারী র্কাযবধিরি সাথে আরকেটা আইন আছে যটোকে বলা হয় চবহধষ ঈড়ফব,১৮৬০ বা দন্ডবধিি অথবা বশিষে আইন। এই দন্ডবধিি বা বশিষে আইনরে মধ্যে যে অপরাধগুলো হয় সইে অপরাধগুলোর শাস্তগিুলো সর্ম্পকে বলা আছ।ে একটা অপরাধ যখন সংঘঠতি হয় তখন থানায় গয়িওে মামলা করা যায় বা সরাসরি র্কোটে গয়িওে মামলা করা যায়। র্কোটে গয়িে যে মামলাটা করা হয় তাকে বলে ঈজ কসে এবং থানায় গয়িে যে মামলা করা হয় তাকে বলে এজ কসে। কোথাও কোন ফৌজদারি অপরাধ যমেন খুন, মারামার,ি ডাকাত,ি চুরি ইত্যাদি সংঘঠতি হলে ক্ষতগ্রিস্ত ব্যক্তরি পক্ষে যে কউে থানায় সংবাদ দতিে পার।ে ক্ষতগ্রিস্ত ব্যক্তি নজিে বা তাঁর পরবিাররে কউে কংিবা অন্য কোনো ব্যক্ত,ি যনিি ঘটনা ঘটতে দখেছেনে কংিবা ঘটনা সর্ম্পকে অবগত আছনে, তনিি থানায় অভযিোগ (এজাহার) করতে পারনে। মূলত এজাহার করার মাধ্যমে থানায় মামলা করা হয়। এজাহার দাখলিরে পর থানার ওসি ঋ.ও.জ (একটি নর্দিষ্টি ফরম) পুরন করে মামলা রুজু করবনে এবং একজন তদন্তকারী র্কমর্কতা নয়িোগ করবনে। এরপর একজন পুলশি উপ-পরর্দিশক বা তার র্উধতন কোন পুলশি অফসিার তদন্তকারী র্কমর্কতা হসিাবে মামলাটরি তদন্ত শুরু করবনে। এজাহার প্রাপ্তরি ২৪ ঘনটার মধ্যে ঋ.ও.জ ফরম পুরন করে নকিটস্থ ম্যাজস্ট্রিটে র্কোটে দাখলি করবনে। যাকে আমলী আদালত বল।ে তদন্তকারী র্কমর্কতা মামলাটরি তদন্ত শুরু করার পর ন্যায় বচিার প্রাপ্তরি লক্ষ্যে বাদী/সাক্ষী হসিাবে আপনার করনীয় জানা প্রয়োজন:-

তদন্তকালে করনীয়ঃ
(১) ফৌজদারী মামলার বচিারে এজাহার অত্যাধকি গুরুত্বর্পূণ একটি সাক্ষ্য হসিবেে ববিচেতি হয়। ঠকিমতো এজাহার দায়রে করতে না পারায় প্রতনিয়িত অনকেইে বচিার পাবার অধকিার থকেে বঞ্চতি হচ্ছনে। বচিারকালে এজাহারে কোন ত্রুটি ধরা পড়লে তা আর সাধারণত সংশোধন করা যায় না। এজাহাররে ওপর মামলার ভাগ্য অনকেখানি নর্ভির কর।ে একটি শক্তশিালী এবং শুদ্ধ এজাহার একদকিে যমেন আইনরে শত ব্যাখ্যার মধ্যওে ন্যায় বচিার নশ্চিতি করতে পারে অন্যদকিে ঠকি তমেনি র্দুবল ও অসঙ্গতপর্িূণ এজাহার মামলার গুনগত মান নষ্ট করে বচিার বলিম্বতি করে আসামীদরে জন্য বকেসুর খালাসরে ব্যবস্থা করতে পার।ে তাই বাদী হসিাবে এজাহার দায়রে করার র্পূবে যথাযথ সর্তকতা অবলম্বন করা জরুরী। তদন্তকালে এজাহাররে কোন ত্রুটি পরলিক্ষতি হলে তা সংশোধনরে জন্য সঠকি তথ্য তদন্তকারী র্কমর্কতাকে প্রদান করতে হব;ে না হলে বচিার বঞ্চতি হয়ে চোখরে জল ফলেতে হব।ে (২) বাদী ও সাক্ষীদরে র্সব প্রথম কাজ হলো অপরাধরে ঘটনাস্থল সংরক্ষন করা। তথা যস্থোনে অপরাধ সংঘটতি হয়ছেে সস্থোন কোন পরর্বিতন না করে দ্রুত পুলশিকে অবহতি করা। ঘটনাস্থলরে বস্তুগত সাক্ষ্য/আলামত কোন রুপ ক্ষতি সাধন না করা। (৩) কোন স্থান তল্লাশী, আলামত উদ্ধার ও জব্দ কালে মামলার তদন্তকারী র্কমর্কতাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। (৪) আসামীর সঠকি নাম, বয়স ঠকিানা যাচাই ও আসামী গ্রফেতার কাজে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে মামলার তদন্তকারী র্কমর্কতাকে সহায়তা প্রদান করা। (৫) কে কে সাক্ষী হতে পারে তা শনাক্ত করা। ঘটনা জ্ঞাত ও প্রত্যক্ষর্দশী সাক্ষী সন্ধান করে সাক্ষীদরে নামরে তালকিা তরৈি করে তদন্তকারী র্কমর্কতার নকিট পরর্বতী র্কাযক্রমরে জন্য উপস্থাপন করা। (৬) ঘটনাস্থলে সংঘটতি অপরাধরে অপরাধী শনাক্তকরণরে নমিত্তিে সসিটিভি,ি বভিন্নি ইলকেট্রনকি ও প্রন্টি মডিয়িার সাংবাদকিদরে ধারনকৃত ফুটজে/ছবি সংগ্রহ, সংরক্ষন র্পূবক তদন্তকারী র্কমর্কতার নকিট উপস্থাপন করে প্রকৃত আসামী শনাক্তকরণে সহায়তা করা। (৭) চোরাই/লুণ্ঠতি মালামাল তালকিা সঠকিভাবে প্রদান করে চোরাই মাল উদ্ধার ও জব্দ করতে মামলার তদন্তকারী র্কমর্কতাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। (৮) অপরচিতি আসামী গ্রফেতার হলে উক্ত আসামী ঘটনায় জড়তি কনিা তা শনাক্ত করে মামলার তদন্তকারী র্কমর্কতাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। (৯) ঘটনায় ব্যবহৃত রক্তমাখা অস্ত্র, রক্তমাখা কাপড়, পোষাক না ধুয়ে (বস্তসাক্ষ্য) দ্রুত তদন্তকারী র্কমর্কতার নকিট পরর্বতী র্কাযক্রমরে জন্য উপস্থাপন করা। (১০) দাললিকি সাক্ষ্য দ্রুত তদন্তকারী র্কমর্কতার নকিট পরর্বতী র্কাযক্রমরে জন্য উপস্থাপন করা। (১১) আঘাত জনতি মামলার ক্ষত্রেে আঘাত গুরুতর না সাধারণ তা নরিুপনরে জন্য ডাক্তারী মতামত জরুরী। বধিায় আহত ভকিটমিরে চকিৎিসাকালে যসেব পরীক্ষা-নরিক্ষিা করা হয়ছেে উক্ত রপর্িোট সমূহ ডাক্তারী সনদপত্র সংগ্রহ করার জন্য তদন্তকারী র্কমর্কতার নকিট পরর্বতী র্কাযক্রমরে জন্য উপস্থাপন করা।

বচিার চলাকালে করনীয়ঃ
তদন্ত শষে হলে তদন্তকারী র্কমর্কতা দুই ধরনরে রপর্িোট র্কোটে দাখলি করতে পারনে। তদন্ত শষেে যদি তদন্তকারী র্কমর্কতা দখেনে মামলাটি ভত্তিহিীন তাহলে চুড়ান্ত প্রতবিদেন দাখলি করনে র্অথাৎ মামলা এখানইে শষে। আর তদন্ত শষেে যদি অপরাধ হয়ছেে নশ্চিতি হন তা হলে র্চাজশটি দাখলি করবনে। বচিারচলাকালে ন্যায় বচিার প্রাপ্তরি জন্য বাদী করনীয় হলো- (১) মামলা তদন্ত শষেে তদন্তকারী র্কমর্কতা ম্যাজস্ট্রিটে আদালতে অভযিোগপত্র অথবা চূড়ান্ত প্রতবিদেন জমা দলিে কংিবা অভযিোগরে কোনো ভত্তিি খুঁজে না পলেে পুলশি রপর্িোট দাখলি করলে উক্ত প্রতবিদেনে আপনি সন্তুষ্ট না হলে পুলশি প্রতবিদেনরে বরিুদ্ধে অভযিোগকারী(বাদী) র্কোটে নারাজি দতিে পারনে। র্অথাৎ পুলশি প্রতবিদেনে তনিি কনে সন্তুষ্ট নন, আদালতে সে কারণ র্দশয়িে অভযিোগটরি পুনঃতদন্তরে আবদেন করতে পারনে। তবে প্রয়োজন মনে করলে ম্যাজস্ট্রিটে অভযিোগটরি সত্যতা যাচাইয়রে জন্য অথবা অধকিতর তদন্তরে জন্য পুলশিকে বা বচিার বভিাগীয় তদন্ত করার উদ্দশ্যেে তনিি নজিে বা তাঁর অধস্তন অন্য কোনো ম্যাজস্ট্রিটেকে বষিয়টি তদন্ত করার নর্দিশে দতিে পারনে। (২) পুলশি রপর্িোট দাখলি করলে উক্ত প্রতবিদেনে বাদী সন্তুষ্ট হলে পুলশি প্রতবিদেন বা র্চাজশটি দাখলিরে পর র্কোট র্চাজ শুনানরি দনি র্ধায্য করবনে। র্চাজ শুনানরি দনি আসামীর আইনজীবী যদি আইনগতভাবে র্কোটকে সন্তুষ্ট করতে পারনে যে আসামী নর্দিোষ তাহলে র্কোট মামলাটি খারজি করে দতিে পারনে র্অথাৎ মামলা এখানইে শষে। আর যদি র্কোট র্চাজ গঠন করনে তাহলে সাক্ষী গ্রহনরে দনি র্ধায্য করবনে। র্চাজ গঠনরে পর আসামী পলাতক থাকলে পলাতক আসামীদরে বরিুদ্ধে ওয়ারন্টে জারি করব।ে ওয়ারন্টে জাররি পর পলাতক আসামীদরে গ্রফেতার করতে পুলশি তথ্য দয়িে সহায়তা করতে হব।ে তার পরও যদি আসামীরা আদালতে হাজরি না হয় বা তাদরে হাজরি করা না যায় তবে তাদরে আদালতে একটি নদিষ্টি সময়রে মধ্যে হাজরি হবার জন্য দনৈকি জাতীয় পত্রকিায় বজ্ঞিপ্তি প্রদানরে মাধ্যমে আদালতে হাজরি হয়ে আত্মপক্ষ সর্মথনরে জন্য বলা হব।ে এরপর বজ্ঞিপ্তি জাররি পরও যদি আসামরিা আদালতে হাজরি না হয় তবে আদালত তাদরে অনুপস্থতিতিে বচিার র্কাযক্রম শুরু করে থাক।ে (৩) সাক্ষ্য গ্রহনরে দনি র্ধায্য হলে র্ধায্য তারখিে সাক্ষীদরে আদালতে উপস্থপনরে ব্যবস্থা করতে হব।ে সাক্ষী গ্রহন শষে হলে র্কোট অৎমঁসবহঃ (যুক্তি র্তক) এর জন্য দনি র্ধায্য করবনে। যুক্তি র্তক শষেে র্কোট রায় দবিনে। রায় দুই ধরনরে হতে পার-ে খালাস অথবা কারাদন্ড। র্কোট মামলার এজাহার থকেে শুরু করে যুক্তি র্তক র্পযন্ত মামলার সকল র্কাযক্রম ববিচেনায় এনে বচিারকি মানসকিতায় রায় প্রদান করনে। (৩) সআির মামলা নালশিকারীকইে ব্যক্তগিতভাবে আইনজীবী নযিুক্ত করে মামলা পরচিালনা করতে হয়। জআির মামলা পরচিালনার জন্য আপনি একজন আইনজীবী নয়িজতি করতে পারনে। তবে থানায় এজাহার রুজুর মাধ্যমে কংিবা ম্যাজস্ট্রিটে পুলশিকে অভযিোগটি এজাহার হসিবেে নওেয়ার আদশে দলিে রাষ্ট্র তখন মামলার পক্ষ হয়ে পরর্বতী সময়ে মামলা পরচিালনা কর।ে কন্তিু নালশিি মামলার ক্ষত্রেে কউে অভযিোগ করে পরর্বতী শুনানরি দনি যদি সে সংশ্লষ্টি ম্যাজস্ট্রিটে আদালতে হাজরি না হয় বা ঘটনা তদন্ত শষেে যদি অভযিোগরে সত্যতা প্রমাণ না হয়, তবে ম্যাজস্ট্রিটে মামলাটি খারজি করে দতিে পারনে। অভযিোগকারী চাইলে এ ধরনরে খারজি আদশেরে বরিুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে বা হাইর্কোট বভিাগে ৬০ দনিরে মধ্যে রভিশিন আবদেন করতে পারনে।
বাস্তবতা হচ্ছে আমাদরে দশেরে অধকিাংশ বচিারর্প্রাথীর আইন অজ্ঞ, অসহায় ও দরদ্রি অজ্ঞতা, দনৈতা ও নানাবধি প্রতবিন্ধকতার কারণে আদালত র্পযন্ত পৌঁছাতে না পারায় ন্যায় বচিার হতে বঞ্চতি হয়। বচিারর্প্রাথীর অধকিার নশ্চিতি করতে সচতেনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সরকাররে আইনি সহায়তা প্রদান র্কমসূচওি ব্যাপক পরসিরে বাড়লে উপকার পাবে সাধারণ মানুষ।

জনসচতেনায়- মোঃ সাব্বরি রহমান, পুলশি পরর্দিশক (তদন্ত), বাঞ্ছারামপুর মডলে থানা, ব্রাহ্মণবাড়য়িা।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন

এ বিভাগের আরো খবর