লালমনিরহাটে “ইত্যাদি” কে আমন্ত্রণ: হানিফ সংকেত এর দৃষ্টি আকর্ষণ!

সময় বাংলা,লালমনিরহাট: মন উদাসের বিকেলে ফেসবুকে আমরা একদল তারুণ সাংবাদিক। ইত্যাদিকে আমন্ত্রণের জন্য ফেসবুকে পোষ্ট দিলাম। দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মন মাথানো লালমনিরহাট জেলার মানুষ একাধিক বার কমেন্ট করে ইত্যাদির ‘জন্মদাতা’ হানিফ সংকেত ভালোবাসেন তা কখনো বুঝাতে পারিনি। সবাই বার বার জনাব, হানিফ সংকেতকে লালমনিরহাটের জেলা বাসী এ জেলায় দেখতে চান। তাদের অনুপ্রেরণা ও দুই জন তরণ সাংবাদিক রাহেবুল ইসলাম টিটুল, এল জামান (বাপ্পী) ও আমি আজিজুল ইসলাম বারী পিপলস্ নিউজ.২৪ কম ইত্যাদি টিমকে ইমেলে গত (৯ মার্চ ২০১৭) আমন্ত্রিত করি।

সম্মানিত পরিচালক “ইত্যাদি”। আমরা লালমনিরহাট বাসী আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। উত্তরের জনপদ রংপুরের একটি জেলা লালমনিরহাট। জেলাটি ভারত বেষ্টিত এবং তিস্তা বিধৌত। এই জেলায় রয়েছে সবচেয়ে বেশি ছিটমহল (৫৯টি)। ইতিহাস ঐতিহ্য কম নেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিমান বন্দর থেকে শুরু করে এখানে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। যেগুলো প্রচার ও প্রসারের অভাবে লুকিয়ে রয়েছে। মঙ্গা পিড়িত এই জেলার দর্শনীয় স্থানগুলি প্রকাশ পেলে হয়তো এখানকার মানুষের জীবন যাত্রার মান আরও বৃদ্ধি পাবে।

তাই ইত্যাদি, হানিফ সংকেত ও সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ওনারা যেন আমাদের এই লালমনিরহাট জেলায় ইত্যাদির একটি পর্ব নির্মাণ করেন এবং সেটি বিটিভির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

আমি এবং আমার জেলার সর্বস্তরের মানুষজন এটাই প্রত্যাশা করছি। এক নজরে লালমনিরহাট জেলার ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থানগুলোর নাম:-আঙ্গরপোতা দহগ্রাম, তিনবিঘা করিডোর, বুড়িমারী স্থলবন্দর ও জিরোপয়েন্ট, ব্রিটিশ আমলের তিস্তা রেল সেতু, তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প, রেলওয়ে জংশন, সিন্দুরমতি দিঘি, দৈখোয়া শালবন, তুষভান্ডার জমিদার বাড়ী, কাকিনা জমিদার বাড়ী, নিদাড়িয়া মসজিদ, কবি শেখ ফজলল করিমের বাড়ী ও স্মৃতি পাঠাগার, তিস্তার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল, জেলা জাদুঘর, দঃ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি, শুকানদিঘি ও একই আঙ্গিনায় মসজিদ -মন্দির তথা (স্বর্গ -নরক) কবি শেখ ফজলল করিম বাড়ি, পাঠাগার সহ আরো অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। তাই এগুলো দেশ ও দেশের মানুষকে জানাতে ইত্যাদি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আমি আমরা মনেকরি। এজন্য হানিফ সংকেত সহ ইত্যাদির সকল কলাকৌশলীদের নেক দৃষ্টির জন্য আবারও অনুরোধ করছি।।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন