শীর্ষনিউজ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দায়ের করা চাঁদাবাজির ৫মামলা মিথ্যা প্রমানিত

সমব বাংলা, ঢাকা: শীর্ষনিউজ ডটকম ও সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজ সম্পাদক একরামুল হককে গ্রেফতার এবং একের পর এক ৫টি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছিলো ২০১১ সালে। ইতিপূর্বে বিভিন্ন সময়ে ৪টি মামলা খারিজ হয়েছে। সর্বশেষ শাহবাগ থানার মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ আজ এ মামলা খারিজ করে দেন। সম্পাদক একরামুল হককে বেকসুর খালাস দেন।

বিশেষ জজ আদালত-৩ এর মাননীয় বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এ রায় দেন। আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট জাহিদ আনোয়ার শামীম। বাদিপক্ষে ছিলেন সরকারি পিপি।

উল্লেখ্য, শাহবাগের এ মামলাটিতে শীর্ষনিউজ ও শীর্ষকাগজ সম্পাদক একরামুলকে ওই সময় দুই দফায় রিমান্ডে নেয়া হয়েছিলো। এমনকি টিএফআই সেলেও ২৭ ঘণ্টা চোখ-হাত বেঁধে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ এবং নির্যাতন করা হয়েছিলো।

২০১১ সালের জুলাইয়ে প্রথমে সম্পাদক একরামুল হকসহ শীর্ষনিউজ-শীর্ষকাগজ সাংবাদিকদের এ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয় কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই। তারই মধ্যে ২৮শে জুলাই, ২০১১ সম্পাদক একরামুল হকের বিরুদ্ধে কলাবাগান থানায় জনৈক গিয়াসউদ্দিনকে বাদি করে চাঁদাবাজির মামলা দেয়া হয়। এই মামলায় ৩১ জুলাই, ২০১১ রাতে মগবাজারের বাসা থেকে একরামুল হককে গ্রেফতার এবং আদালতে নিয়ে রিমান্ডে আনা হয়। রিমান্ডে থাকাকালেই সচিবালয়ের কর্মচারী নেতা এমদাদুল হককে বাদি করে ১ আগস্ট, ২০১১ শাহবাগ থানায় সম্পাদক একরামুল হকের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকার চাঁদাবাজির মামলা করা হয়। এ মামলাও রিমান্ড হয় এবং রিমান্ডে থাকাকালেই টিএফআই সেলে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তর করেও আরেক দফায় একরামুল হককে রিমান্ডে নেয়া হয়েছিলো। এরপর ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আশুলিয়ার জনৈক শহীদুল ইসলামকে বাদি করে সম্পাদক একরামুল হক ও সম্পাদকের স্ত্রী মাহবুবা হককে আসামী করে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়। ২১শে আগস্ট, ২০১১ মহিলা বিষয় অধিদফতরের কর্মচারী মেহেরুন্নেছাকে বাদি করে একরামুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়।

এসব মামলায় সম্পাদক একরামুল হক উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। কিন্তু, জামিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হওয়ার সময় ১ নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যায় তাকে জেলগেটে গ্রেফতারের পর ওইদিনই কর কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানকে বাদি করে রমনা থানায় আরেকটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় তিন দফায় মোট ৮দিন রিমান্ডে রাখা হয়। এমনকি ঈদের দিনও আদালতে তুলে রিমান্ড নেয়া হয়। শুধু গ্রেফতার এবং রিমান্ডই নয়, শীর্ষনিউজ ডটকম এবং শীর্ষকাগজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো।

শীর্ষনিউজ ডটকম ও সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজ সম্পাদক একরামুল হক এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক বার্তায় মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন