সন্ত্রাসে মদদ দেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান কাতারের

মোঃ মিজানুর রহমান, সময় বাংলা: কাতার আজ শুক্রবার তাদের বিরুদ্ধে আনা সন্ত্রাসে মদদ দেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সম্প্রতি সৌদি আরব, মিসর, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ তোলে, কাতার ইসলামি সংগঠনগুলোকে মদদ ও আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। তারা কাতারের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজনের নামের কালো তালিকা প্রকাশ করে।

আয়তনে ছোট হলেও গ্যাস সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ কাতার। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটিও এই দেশে।
কাতারের সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, সম্প্রতি সৌদি আরব, বাহরাইন, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যৌথভাবে কাতারের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসীদের অর্থ জোগানদাতার’ যে অভিযোগ তুলেছে, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ওই যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী অনেকের চেয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান বেশি জোরালো, যা স্বাক্ষরকারীরা ইচ্ছে করে এড়িয়ে গেছে।’

কাতার জানায়, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তারা এ অঞ্চলে নেতৃত্ব দেয়, তরুণ প্রজন্মকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আশা দেখায়, সিরিয়ার লাখো শরণার্থীকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলছে এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় কমিউনিটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে অর্থায়ন করে থাকে মধ্যপ্রাচ্যের এই চারটি দেশ এক বিবৃতিতে মুসিলম ব্রাদারহুডের আধ্যাত্মিক নেতা ইউসুফ আল-কারাদাউইসহ ৫৯ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসীর একটি তালিকা দিয়েছে। একই সঙ্গে কাতারের অর্থায়নে দাতব্য সংস্থা কাতার চ্যারিটি ও ঈদ চ্যারিটিসহ ১২টি সংস্থার নাম রয়েছে।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন