সময় বাংলায় অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর কোষ্টগার্ডের ২ সোর্স বরখাস্ত

দেলোয়ার হোসেন মৃধ্যা, সময় বাংলা, লক্ষীপুর: “রায়পুরে নদীতে চাঁদা না পেলে কোষ্টগার্ডের হয়রানি প্রতিবাদে জেলেদের মানবন্ধন” এই শিরোনামে বৃহস্পতিবার জনপ্রিয় অনলাইন পোর্টাল সময় বাংলায় প্রকাশিত সংবাদে প্রশাসনের নজরে আসে। এ সংবাদ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রানী রায়ের নজরে আসলে তাৎক্ষণিক মেঘনা নদীর রায়পুর অংশের কোষ্টগার্ডের কমান্ডারকে ডেকে তাদের ২ সোর্স শামছুদ্দিন ও বাকেরকে বরখাস্ত করা নির্দেশ দিয়েছেন। প্রশাসনের নির্দেশে দুই সোর্সকে বরখাস্ত করায় জেলে পল্লীতে আনন্দ বিরাজ করছে।

উল্লেখ্য, মেঘনা নদীর লক্ষ্মীপুরের রায়পুর অংশে কোষ্টগার্ডের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে। তাদের চাহিদামত চাঁদা না পেলে জেলেদের মারধরসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয়। গত ১৫ দিনে সোর্স শামছুদ্দিন ও বাকেরের মাধ্যমে শতাধিক জেলে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে চাঁদাবাজির শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে জেলেরা। কোষ্টগার্ডের হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে বুধবার বিকেলে উজেলার পুরান বেড়ী এলাকায় ঘন্টাব্যাপী জেলেরা মানববন্ধন করেন।

রায়পুর উপকূলীয় ক্যাম্পের পেটি অফিসার এস এ মারমা বলেন, কোষ্টগার্ড নিয়ে সময় বাংলা অনলাইন ও বিভিন্ন পত্রিকায় যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে তা আমাদের নজরে আসে। আমরা জেলেদের কাছ থেকে কোন টাকা আদায় করিনি। ইউএনও সাহেবের নির্দেশে আমাদের ২ সোর্স শামছুদ্দিন ও বাকেরকে বরখাস্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রানী রায় বলেন, মেঘনা নদীর রায়পুর অংশে জেলেদের কাছ থেকে সোর্সদের  মাধ্যমে কোষ্টগার্ড সদস্যদের টাকা আদায়ের বিষয়টি বিভিন্ন অনলাইন ও পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। সঠিক সংবাদপ্রকাশ করার জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাই। তাৎক্ষণিক কোষ্টগার্ডের পেটি কর্মকর্তাকে ডেকে অভিযুক্ত দুই সোর্সকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়পুরে নদীতে চাঁদা না পেলে কোষ্টগার্ডের হয়রানি, প্রতিবাদে জেলেদের মানবন্ধন

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন