স্ত্রীর পরকীয়ার বলি আইনজীবী রথীশ

সময় বাংলা, রংপুর:
নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবুসোনার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে রংপুর শহরে রথীশের বাড়ির আধা কিলোমিটার দূরে তাজহাট মোল্লাপাড়া এলাকার নির্মাণাধীন একটি বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করে র‌্যাব।

রথীশের স্ত্রী দীপা ভৌমিক এবং তার দুই সহকর্মীকে গ্রেপ্তারের পর তার লাশ উদ্ধার করা হলো। যে বাড়িতে রথীশের লাশ পাওয়া গেছে, তা দীপার সহকর্মী তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কামরুল ইসলামের ভাইয়ের বাড়ি।

পুলিশ বলছে, স্ত্রীর পরকীয়ার কারণেই খুন করা হয় রথীশ চন্দ্র ভৌমিককে। যে বাড়িতে লাশটি পাওয়া গেছে সেটি স্ত্রীর প্রেমিকের ভাইয়ের নির্মাণাধীন বাড়ি।

আরো খবর: স্ত্রীকে গ্রেপ্তারে মিলল আইনজীবীর লাশ

রংপুরের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, স্ত্রীর পরকীয়ার কারণে রথীশ চন্দ্র ভৌমিককে খুন হতে হলো। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৩ অধিনায়ক আরমিন রাব্বি জানান, দীপার সঙ্গে তার এক সহকর্মী শিক্ষকের সম্পর্কের জেরে রথীশ খুন হতে পারে। দীপার দেয়া তথ্যেই লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত রথীশ রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক। এছাড়া জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি এবং মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন।

গত শুক্রবার সকালে নগরীর বাবুপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন রথীশ। এরপরই তার সন্ধানে মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা প্রথমেই পরকীয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে তদন্তে শুরু করে।

এরপর রথীশের স্ত্রী ও তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা দীপা ভৌমিক এবং তার প্রেমিক শিক্ষক কামরুল ইসলামের মোবাইল কললিস্ট বের করে পুলিশ। ওই কললিস্টে দেখা যায় প্রতিদিন প্রেমিক-প্রেমিকা জুটি ৩০ থেকে ৩৫ বার মোবাইলে কথা বলতেন।

এরপর শনিবার রাতে নগরীর রাধাবল্লভের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় কামরুল ইসলামকে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ডের তথ্য জানায়।

এসএস

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন