স্বাধীনতা হরণে নতুন আঈন(মাইর,হামলা)

সময় বাংলা, ঢাকা: ছবির লোকটি বিএনপির মহাসচিব,চট্রগ্রামের রাঙ্গুনিয়াতে একদল হাওড় প্রেমি,ভূমিধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত প্রেমী ইনার গাড়িতে হামলা করেছেন দেশের বৃহত্তর স্বার্থে।

গতকাল বা পরশু প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, বিএনপি সংবাদ সম্মেলন নির্ভর দল।আমিও তাই বলি।তিনি বলেছিলেন, হাওড়ের মানুষের পাশে ছিলো আওয়ামীলীগ,ভূমিধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত দের পাশেও আওয়ামীলীগ আছে।বিএনপি কারো পাশে ছিলো না,থাকে না। আমিও তাই বলি।

কিন্ত জানেন কি? আজকে মির্জা ফখরুলের উপর হামলা কারী সেই প্রেমীগুলো কারা?

ইনারা সরকারী দলের নেতাকর্মী বলে পরিচিত। বিজয়৫২ র মোস্তফা জব্বার হাওড়ের মানুষ,তিনি হাওড়ের বিপর্যয়ের সময় পাগলের মত উন্মাদ হয়ে ছুটেছেন।এনটিভির টকশোতে দেখেছিলাম তার একটা বক্তব্য,হাওড়ের এমপি রা ৩-৪মাস বাদে বাদে সেখানে যায়।বিপর্যয়ের মধ্যেও সাহায্যের নামে যারা সাহায্য পাচ্ছেন তারাও আবার ওইসব দলের নেতাকর্মীরা।

সাজেকের মানুষ না খেয়ে আছে,এবার ওই সরকারের লোকেরা তা দেখেনই না।

ভূমিধ্বসের কারণ টা জানা সবার,তবুও বলি,পাহাড় কেটে ঘর বানানো আর তার ভাড়া খাওয়ার জন্যেও ওই প্রেমিক দলটাই দায়ী।দেশের বৃহত্তম স্বার্থে ইনারা অনেক কাজ করেন।

আওয়ামী লীগের কুকীর্তি র কথা বললেও সিস্টেম আছে ৫৭ ধারা।আর যাদের উপর ৫৭ধারা ফলানো যায় না, তাদের উপর মাইর ধারা। এগুলা সবই উন্নয়নের স্বার্থে করা হয়ে থাকে।

বিএনপির মহাসচিব যাচ্ছিলেন কিছু ত্রান সহায়তা দেবার জন্যে(যদিও পারেন নি,মাইর ধারার কারণে),সরকারের বাইরে আছেন প্রায় ১০বছর হতে চললো।আজকাল বিবৃতি আর সংবাদ সম্মেলনের বাইরে রাজনৈতিক কর্মসূচী তেমন থাকেনা বললেই চলে,তার পেছনেও কারণ আছে হরতাল দিলে পোড়ানোর দায়,বিশ্বজিৎ হত্যার দায়(যদিও পেট্রোল বোম সহ অনেক ছাত্রলীগ কর্মীকে হাতেনাতেও ধরা পড়তে দেখা গেছে,বিশ্বজিৎ হত্যার দায় প্রমান হওয়ায় সরকারী দলের লোকজনকে শাস্তি ভোগ করতেও দেখা গেছে) বিএনপির,যেহেতু কর্মসূচী বিএনপির তাই দায়ও বিএনপির।তবে বিচার বিভাগ আবার এগুলা ধরে ফেলে।ইদানিং বিচার বিভাগের সাথে নির্বাহী বিভাগের দ্বন্দ বেশ আলোচনা হচ্ছে(যানিনা তার পেছনে পূর্বের ঘটনা দায়ী কি না)।

আজকাল তারা সভা,সমাবেশও করার অনুমতি পান না প্রসাশন থেকে(সরকার থেকে), মিটিং করতে গেলেও প্রশাসন(সরকার) এর বাধা থাকে।

তারপরেও তারা একটু একটু করে মানুষমুখী হবার চেষ্টা করলেও ওই মাইর ধারা,হামলা ধারা(অঘোষিত সরকারী ধারা) র কারণে তা করতে পারেন না।

আবার এই না পারার দায়টাও বিএনপির(প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্যমতে)।

আজকে মির্জা ফখরুলের উপর হামলা হয়েছে কারন তিনি লীগার না।দেশটা যখন লীগময় তখন অন্যকারো রাজনীতি,সামাজিক কর্মকান্ড করাটা এদেশে নিষেধ,সেটা নবীন,প্রবীন রাজনীতিবিদরা যতদিন না বুঝবেন ততদিন হয়তো এরকম অঘোষিত ধারা চলতে থাকবে।

আবার যেদিন প্রতিবাদটা আসা শুরু করবে, সেদিন হয়তো আইয়ুব,এরশাদের মত উড়ে যাবে অনেকেই।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন