মন্ত্রীর ওয়ায়দুল কাদেরে বাড়ির কাজের মেয়েকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার

সময় বাংলাঃ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার রাজাপুর গ্রামের বাড়ির কাজের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদাউস লিমা (১৫) হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও কাজের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদাউস লিমা জানান, সন্ধ্যার সময় বাড়ির পেছনে খোয়াড়ে হাঁস-মোরগ ঢুকিয়ে ঘরে আসার সময় মুখোশপরা ৪/৫ জন দুবৃত্ত তাকে মুখ চেপে ধরে স্কচ টেপ লাগিয়ে তার হাত-পা বেঁধে ফেলে। এ সময় দুবৃত্তরা ডান হাতের বাহুতে অচেতন ইনজেকশন পুশিং করে। এতে সে অজ্ঞান হয়ে গেলে দৃবৃত্তরা তাকে বাড়ির পিছনে বাথরুমের সেফটি ট্যাংকের ওপর ফেলে রাখে। সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার পরিবারের লোকজন লিমার আসার বিলম্ব দেখে পুলিশকে অবহিত করে।
পুলিশ তাদের বাড়ির চারপাশে খোঁজাখুঁজির পর তাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মো. সেলিম সময় বাংলাকে জানান, আমরা তাকে অবজারবেশনে রেখেছি। কিছু সময় থাকার পর বুঝা যাবে তার শারীরিক অবস্থা। কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মো. আবদুল মজিদ মানবকণ্ঠকে জানান, লিমাকে উদ্ধারের স্থান থেকে একটি ইনজেকশানের সিরিজ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে যে ধরনের ইনজেকশন দেয়া হয়েছে তার স্যাম্পল পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, ৮ আগষ্ট সোমবার রাতে একজন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বাড়িতে গিয়ে তার বাসভবনে ঢিল নিক্ষেপ করে। এসময় তার বাসার কাজের মেয়ে লিমা ঘরে বাহিরে আসলে ওই মুখোশধারী লিজাকে বলে মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে সে হত্যা করবে রাতে যেন ঘরের দরজা খোলা রাখা হয়। আর যদি লিমা রাতে দরজা খোলা না রাখে তাহলে তাকেও হত্যা করা হবে। ১২দিনের মাথায় তাদের বাসার কাজের মেয়েকে দুর্বৃত্তরা হাত-পা বেঁধে রেখে যায়।
সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন

এ বিভাগের আরো খবর