যুক্তরাষ্ট্র সোনালী এক্সচেঞ্জের সাফল্যের ২০ বছর

সময় বাংলা ডেস্ক :

images s e২ দশকে ২১ হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সোনালী এক্সচেঞ্জ ২০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সোনালী এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ২১ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশে পাঠিয়েছে প্রবাসীরা।

১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সোনালী এক্সচেঞ্জ চালুর পর থেকে এ বছর ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসীরা ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান।

তিনি বলেন, “নিউইয়র্ক থেকে পাঠানো অর্থ পরদিনই বাংলাদেশে সোনালী ব্যাংকের সব শাখায় পৌঁছে যাচ্ছে। এ কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সোনালী এক্সচেঞ্জের উপর প্রবাসীদের নির্ভরতা বেড়েছে।

“সোনালীর এক্সচেঞ্জের রেট ভালো; ফিও কমানো হয়েছে অনেক আগে।”

যুক্তরাষ্ট্র সোনালী এক্সচেঞ্জের করপোরেট শাখার ব্যবস্থাপক মো. শাহাদৎ হোসেন বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে সোনালী এক্সচেঞ্জের ১০টি শাখা থেকে ২০১৫ সালে ১২ মাসে এক লাখ ১৫ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশে মোট ৮৬ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন, যা আগের বছর ছিল ৮৪ মিলিয়ন ডলার।”

প্রবাসীদের অর্থ নিরাপদে বৈধ পথে দেশে পাঠানোর সুবিধা দিতে ১৯৯৪ সালের ১২ ডিসেম্বর নিউ ইয়র্কে যাত্রা শুরু করে সোনালী ব্যাংকের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সোনালী এক্সচেঞ্জ। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় এর ১০টি শাখা রয়েছে।

নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন, ব্রংক্স, কুইন্স অ্যান্ড ব্রুকলিন, নিউজার্সির পেটারসন, জর্জিয়ার আটলান্টা এবং মিশিগানের ডেট্রয়েটে সোনালী এক্সচেঞ্জের এসব শাখা কাজ করছে।

নতুন আরও শাখা খোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আতাউর বলেন, টেক্সাস ও ভার্জিনিয়ায় সোনালী এক্সচেঞ্জের শাখা খোলার বিষয়ে কার্যকর আলোচনা চলছে।

“যেসব সিটিতে প্রবাসীদের সংখ্যা বেশি, সে সব জায়গায় শাখা খোলার ব্যাপারে সোনালী এক্সচেঞ্জ সবসময় উদার নীতিতে বিশ্বাসী।”

সোনালী এক্সচেঞ্জ ছাড়া রূপালী এক্সচেঞ্জ, ডিজিটাল ওয়ান, স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেসসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশে অর্থ পাঠাচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন