লেবাননে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিন পালিত

লেবানন প্রতিনিধি :

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৮০তম জন্মদিন পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি লেবানন। বৈরুতের আইন আল-রুম্মানী বাংলাদেশি হোটেল বাবু ইস্টে জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা করেন।

 আলোচনা সভায় লেবানন বিএনপি’র সকল নেতৃবৃন্দ এবং শাখা কমিটি ও অঙ্গ-সংগঠন যুবদলের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সভার সভাপতিত্ব করেন লেবানন বিএনপি’র সভাপতি মো. মানিক মোল্লা।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন লেবানন বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক রুহুল আমিন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন লেবানন বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম মজুমদার, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মজিবুল হক,দপ্তর সম্পাদক ওয়াসিম আকরাম, সম্মানিত সদস্য জাকির হোসেন।

আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাও. মো. সারোয়ার বিন হোছাইনী ।

সভায় বক্তারা বলেন, জিয়াউর রহমান সেদিন স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন বলেই বাংলার দামাল ছেলেরা নিজেদের মাঝে আশার আলো দেখতে পেয়েছিলেন এবং পাকিস্থানী হায়নাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশকে হায়না মুক্ত করেছিলেন। আর যারা এই সত্য ইতিহাস কলংকিত করে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক মানতে অশ্বিকার করেন তারা দেশের স্বাধীনাত বিরুধী শক্তি। আর সেই অপশক্তি মোকাবেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সাথে আমরা লেবানন বিএনপি ছিলাম, আছি এবং থাকব ইনশা আল্লাহ।

দলের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম মজুমদার তার বক্তব্যে বলেন, জিয়াউর রহমান সেদিন ক্ষমতায় গিয়ে বহুদলীয় গনতন্ত্রের রাজনিতি উনমুক্ত করে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে আসার সুযোগ দিয়েছিলেন বলেই আজ তিনি প্রধান মন্ত্রি। আর তার বদলে তিনি উপহার দিচ্ছে জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃবৃন্দের গুম,বিচার বহির্বুত হত্যা, আরো উপহার দিচ্ছে জিয়া পরিবারকে ধংস্ব। কিন্ত তিনি ভুলে গিয়েছেন এক জিয়া বেঁচে না থাকলেও বাংলাদেশে কোটি কোটি জিয়ার সৈনিক এখনো বেঁচে আছেন। সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রি বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশের গনতন্ত্রকে পূর্নদ্ধার করে শেখ হাসিনার এই অবৈধ শ্বাসনের জবাব দেওয়া হবে।

দলের সভাপতি মো. মানিক মোল্লা তার বক্ত্ববে জিয়াউর রহমানের শ্বাসনামলের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে বর্ষাকাল এলে পানি থাকত আর বর্ষাকাল চলে গেলে পানি থাকতনা, চাষিরা চাষাবাদ করতে পারতনা, তাই শহিদ জিয়া খাল খননের কর্মসূচী হাতে নিয়ে ছিলেন যাতে বর্ষা কাল চলে গেলেও পানি থাকে। বাহির থেকে ধান এনে বাংলাদেশকে চাষাবাদ যোগ্য করে  খাদ্যে পরিপূর্ন করে ছিলেন। তিনি জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে তরুন নেতৃবৃন্দদের জিয়াউর রহমানের জীবনী লিখিত কিছু বই বাংলাদেশ থেকে সংগ্রহ করে পড়ার আহবান জানান। তিনি আরো বলেন, দেশ স্বাধীনতার পর বহু অনাকাংখিত ঘঠনা ঘটে যাবার পর এক সীপাহি জনতা বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহিদ জিয়া রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসেন। অভাব অনঠনের চাকা ঘুরিয়ে দেশকে অতি অল্প সময়ে দেশে বহু উন্নয়ন করেছিলেন।

সভায় সকলের মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন, ইকবাল মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, মিন্টু মাল, মিজানুর রহমান, সাহাবুল্লা আতিয়া, যুবদলের দপ্তর সম্পাদক আঃ রহিম প্রমূখ।

সভা শেষে জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমানের আত্নার শান্তি কামনায় এবং জিয়া পরিবারের জন্য দোয়া চেয়ে এবং দেশ ও দেশের সকল জনগনের শান্তি কামনায় বিশেষ মিলাদ ও দোয়া করা হয়।

এবং সবশেষে জন্মদিন উপলক্ষ কেক কাটা হয়।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন