ইতালিতে এবারও সিজনাল জব ভিসায় ব্ল্যাকলিস্টে বাংলাদেশ

42 black listসময় বাংলা ডেস্ক: একশ্রেণির সুবিধাবাদী বাংলাদেশি অভিবাসীদের পলায়নপ্রবণতা ও দালালচক্রের অপকর্মের খেসারত হিসেবে বিগত ৩ বছরের মতো এবারও ইতালিতে সিজনাল জব ভিসায় কালো তালিকাভুক্ত রয়ে গেছে বাংলাদেশের নাম।

গত মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়েছে যার অধীনে মৌসুমী কাজের জন্য এ বছর ১৩ হাজার কর্মী ইতালীতে আসবে ২৭টি দেশ থেকে। এশিয়ার সুপরিচিত ‘জব মার্কেট কান্ট্রি’ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা এবং ফিলিপাইনের নাম ওই তালিকায় স্থান পেলেও দেশভিত্তিক কোটার বাইরে রয়েছে বাংলাদেশ।

সিজনাল ভিসার নিয়ম অনুযায়ী এগ্রিকালচার ও হোটেল-ট্যুরিজম সেক্টরে কয়েক মাসের কাজের মৌসুম শেষে বিভিন্ন দেশের কর্মীদের যথাসময়ে ফিরে যেতে হয় যার যার দেশে।

ইতালির আইন মেনে যারা যথাসময়ে নিজ দেশে ফিরে যান তাদেরকে পরের বছর আবার সিজনাল ভিসা দেওয়া হয় ইতালিতে প্রবেশের।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ‘ব্ল্যাক লিস্টেড’ হওয়ার আগে ২০০৮ সাল থেকে ২০১২ পর্যন্ত পাঁচ বছরে যে ১৮ হাজার বাংলাদেশি সিজনাল জব ভিসায় ইতালি আসেন, তাদের মধ্যে মাত্র ৫০-৬০ জন যথাসময়ে বাংলাদেশে ফিরে যান।

ইতালিতে আসার পর কৃষিকাজ করবেন এমন শর্তে ওইসব বাংলাদেশিরা ঢাকা থেকে ভিসা নিলেও তাদের অধিকাংশই ইতালিতে এসে কর্মস্থলে রিপোর্টই করেননি। ওই ১৮ হাজার বাংলাদেশির মধ্যে আবার অনেকেই সিজনাল ভিসার মেয়াদ থাকতেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়ে আবেদন করে বসেন রাজনৈতিক আশ্রয়ের।

ইতালিকে তারা এক্ষেত্রে ব্যবহার করেন শুধুমাত্র ‘ট্রানজিট কান্ট্রি’ হিসেবে। যারা ইতালিতেই অবস্থান করেন তারাও একটা সময় যথারীতি নাম লেখান অবৈধ অভিবাসীর তালিকায়।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন