ঝিনাইদহের সেই কলেজ ছাত্রী শিরিন শিলা হত্যার পুনঃতদন্তের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

press brifingসময় বাংলা, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ডিএম ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী শিরিন শিলা হত্যা মামলা পুনঃতদন্তের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবার। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা রিপোটার্স ইউনিটির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত শিরিন শিলার পিতা শরিফুল ইসলাম।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, গত বছরের ২৪ আগস্ট যৌতুকের জন্য তার মেয়ে শিরিন শিলাকে মারধর করে মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে হত্যা করে তার জামাই এনায়েত ও তার পরিবারের লোকজন। এ ঘটনায় ঝিনাইদহের শৈলকুপা থানায় পর দিন ২৫ আগষ্ট তিনি বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। যার নং- ২৯। ধারা ৩০/ক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন।
তিনি আরও বলেন, শিলার বাম গালে চড়ের আঙ্গুলের দাগ ছিল, এবং ঘাড়ের নিচে ও কোমরে লাঠির আঘাতের চিহ্ন ছিল, কিন্তু অজানা কারনে পুলিশ সুরাত হাল রিপোর্টে উল্লেখ করে নাই। এছাড়াও সুরাত হাল রিপোর্টের প্রথম পাতা লিখে ২ য় পাতা না লিখে আমার পরিবারের সদস্যদের নিকট থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়াও পুলিশ আসামী ধরতে যাওয়ার জন্য টাকা নিয়ে আসামী আটক করেনি। এমনকি তারা যে রিপোর্ট প্রদাণ করেছে তাতে আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়েছে।

আমি উহাতে কোন স্বাক্ষর করি নাই। এ মতাবস্থায় আমি আমার মেয়ে শিরিন শিলার মামলা টি পুনরায় ময়নাতদন্ত সহ পুলিশের বিশেষ টিম গঠন করে তদন্ত্রে জন্য অনুরোধ করছি। যাহাতে শিলা হত্যাকন্ডের প্রকৃত ঘটনা বাহির হয়ে আসে ও শিলা হত্যাকারীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে ন্যায় বিচার পাই ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিলার মা হামিদা বেগম, বোন বুলবুলি খাতুন ও ভগ্নিপতি শরিফুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, রামচন্দ্র পুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই অজয় কুমার কুন্ডু আসামী ধরতে যাওয়া ও মামলার খরচ বাবদ আমার নিকট থেকে ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকা ও একটি আই ফোনের দাবী করে নিরুপায় হয়ে তাহকে ২০০০০(বিশ হাজার) টাকা দেই। তারপরে তদন্তকারী অজয় কুমার কোন কাজ করে নাই। তিনি বিভিন্ন আলামত গোপন করে এবং সাক্ষীর রিপোর্ট নিজ ইচ্ছা মত প্রদান করে যাহা সাক্ষী সম্পূর্ণ রুপে অজ্ঞাত। তাঁহা ছাড়া ঝিনাইদহের শৈলকূপা থানার এস আই এমাদাদ হোসেন যে রিপোর্ট প্রদান করেছে তাহাতে আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়েছে। আমি উহাতে কোন স্বাক্ষর করি নাই।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন