এ বছরই জাতীয় নির্বাচন?

sheersha kagojসময় বাংলা ডেস্ক : রাজনীতিতে এখন বেশ জোরেশোরে চলছে আগাম বা মধ্যবর্তী নির্বাচনের আলোচনা। বলা হচ্ছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরই মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হবে। ইতিমধ্যে বিএনপির সঙ্গে এ নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও হয়েছে। সরকারের উপদেষ্টা গওহর রিজভী লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকের কিছু অগ্রগতিও আছে। উপদেষ্টা গওহর রিজভী সাংবাদিকদের কাছে অনানুষ্ঠানিক সংলাপের সত্যতা স্বীকারও করেছেন।

পর্যবেক্ষকরা মনে করছিলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যেই সরকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের আয়োজন করবে। তবে নির্বাচনের সময়টা সর্বোচ্চ আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যেতে পারে বলে কেউ কেউ মনে করছিলেন। কিন্তু, গত ২১ জানুয়ারি সিলেটে মাজার জিয়ারতের পরে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হঠাৎ করে নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়ার মধ্য দিয়ে অনেকেই ধরে নিচ্ছেন, সম্ভবত শিগগিরই জাতীয় নির্বাচন আসছে। ইতিমধ্যে একটি পত্রিকা এই মর্মে খবর দিয়েছে যে, বর্ষার আগেই, সম্ভবত মে-জুন মাসে জাতীয় নির্বাচন হতে পারে। যদিও এখন ইউপি নির্বাচন চলছে এবং এটি চলবে জুন পর্যন্ত। মাঝপথে ইউপি স্থগিত রেখে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণাও আসতে পারে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। জাতীয় পার্টির নতুন কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচন দেবেন।

সর্বশেষ গত ২০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ এ বিষয়ে আরো এক পা বাড়িয়ে বলেছেন, নির্বাচন অতি নিকটে। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন। গত সপ্তায় সরকারের একজন সিনিয়র মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে একটি উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন প্রসঙ্গে আলোচনাকালে বলেন, আগামী জুনে সেটি উদ্বোধন করা হবে। তবে সেই পর্যন্ত যদি মন্ত্রী থাকি। মন্ত্রীর এমন মন্তব্যে উপস্থিত সকলে বিভ্রান্তিতে পড়েন এবং একে অন্যের মুখ চাওয়া-চাওয়ি করেন।

অবস্থার পরিবর্তন

ভারতের তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের সহায়তায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি একতরফা নির্বাচন করিয়ে নেয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে আওয়ামী লীগ বলেছিলো, এটি নিয়মরক্ষার নির্বাচন। বিদেশিদের কাছে এই মর্মে গোপন কমিটমেন্ট দিয়েছিলো যে, শিগগিরই আরেকটি জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। কিন্তু, কিছুদিন পরই আওয়ামী লীগ তাদের অবস্থান থেকে সরে গেলো। বললো, ২০১৯ সালের আগে কোনো নির্বাচন নয়। বিএনপি আলোচনার আহ্বান জানালেও তারা তা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে। অবশেষে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারিকে কেন্দ্র করে লাগাতার তিন মাস আন্দোলন চলে। সেই আন্দোলন অতিক্রম করার পর আওয়ামী লীগ নিজেদের গুছিয়ে ক্ষমতায় ‘পোক্ত’ বলে ধরে নেয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত তো অবশ্যই, এমনকি ২০৪১ সাল পর্যন্তও ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখতে থাকে। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী (৫০ বছর) এবং একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বিএনপি-জামায়াতকে আর সক্রিয় বা সংগঠিত হতে দেয়া হবে না, ভেঙে খান খান করা হবে, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করানো হবে- এমনই গোপন পরিকল্পনা ছিলো সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের।

কিন্তু এখন নতুন এক আবহ তৈরি হতে যাচ্ছে। সরকার যেন সেই অবস্থানে আর থাকতে পারছে না। এর মূলে রয়েছে চতুর্মূখী চাপ। পশ্চিমাদের চাপ তো আছেই, দেশের মধ্যকার সুশীল সমাজও এ মুহূর্তে রাজনৈতিক সমঝোতা কামনা করছে। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও এখন বিগড়ে গেছে। তাছাড়া দলের মধ্যেও এক রকমের সন্দেহ-অবিশ্বাস কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত নভেম্বর মাস থেকে সকল ধরনের বিদেশ সফর স্থগিত করেছিলেন সেটি আর চালু করেননি।

জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও, যাদের ওপর পূর্ণ ভরসা ছিলো তারা এখন আর বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা দেখতে চাইছে না। ইতিমধ্যেই সরকারকে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে বলেছে। সরকারও ইতিপূর্বে একাধিকবার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিলো। লক্ষ্য ছিলো, বিএনপিকে ভেঙে কিছু একটা করার। তাতে অন্তত তিন দফায় ব্যর্থ হয়েছে। অবশেষে এখন সেই চেষ্টায় ক্ষ্যান্ত দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিএনপির নীতি পরিবর্তন  

অবশ্য, বিএনপিও ইতিমধ্যে তাদের নীতি-কৌশলে আমূল পরিবর্তন এনেছে। এখন আর কোনো সংঘাত নয়, বরং দলকে সংগঠিত করা এবং নির্বাচনী প্রস্তুতির পথে রয়েছে বিএনপি। শুধু তাই নয়, বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় যাওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। কারণ, তাকে বিদেশিরা ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে, জানিয়েছে বিএনপিরই একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র। ভারতেরও তারা সিগন্যাল পেয়েছে বলে ওই সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। আর তাই গত ৫ জানুয়ারির ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন উপলক্ষ্যে সমাবেশের অনুমতি পেতে বিলম্ব হবার পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, অনুমতি না পেলে সমাবেশ করবে না, সংঘাতেও যাবে না। সর্বশেষ এখন কাউন্সিল নিয়ে কোনো সংঘাতে না যাওয়ার নীতিতে অটল রয়েছে। বরং তারা কাউন্সিল সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার ব্যাপারে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে। বেগম জিয়া ‘আন্দোলন নয়, দল সংগঠিত’ করার কথা বলেছেন নেতা-কর্মীদেরকে।

আলোর ঝলকানি বিএনপিতে

ইতিপূর্বে বিএনপি নেতারা মনে করছিলেন, আওয়ামী লীগের পতন হলেও বিএনপি-জামায়াতের ক্ষমতায় আসা সম্ভব নয়। অর্থাৎ তাদের ক্ষমতায় আসা হচ্ছে না আপাতত। এর কারণ, আওয়ামী লীগ দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, কোনো ক্রমেই বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতায় আসতে দেবে না। এতে বিএনপি নেতাদের কেউ কেউ মনে করছিলো, নিজেরা ক্ষমতায় আসতে না পারলেও আওয়ামী লীগের পতন হলে তারা খুশি।

কিন্তু, সাম্প্রতিক সময়ে সেই মেঘ কেটে গেছে বলে তারা মনে করছেন। এখন বরং ‘অন্য কিছু হওয়ার‘ চেয়ে বিএনপির ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা উজ্জ্বল বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেই কারণেই কাউন্সিলকে ঘিরে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছেন পদ-পদবির জন্য। কারণ, এখন পিছিয়ে থাকলে ক্ষমতায় এলে তখন কোনো সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে না। বিএনপির একাধিক নেতা এ প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেই বলছেন, আর বেশি বাকি নেই। তাদের নেত্রীই প্রধানমন্ত্রী হবেন।

আবারো আইএস প্রসঙ্গ

আইএস ইস্যু সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছিলো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমারা এ ইস্যুটা নিয়ে খুব একটা মাতামাতি করছিলো না। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এক বক্তৃতায় আইএস প্রসঙ্গ টেনে এনে বেশ জোর দিয়ে বলেছেন, দেশে আইএস’র কোনো অস্তিত্ব নেই। অনেকেই মনে করছিলেন, আইএস ইস্যু থেকে আপাতত সরকার নিস্তার পেয়েছে। তারমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ আইএস প্রসঙ্গ তুললেন।

সম্ভবত, সরকার মনে করছে, যে কোনো মুহূর্তে আবার আইএস ইস্যু জোরালো হয়ে উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের মন্ত্রীরা ইতিপূর্বে এই মর্মে অভিযোগ করেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র আইএস’র ছুতোয় বাংলাদেশে ঢুকতে চাচ্ছে। একাধিকবার সরকারের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ করা হয়েছে। বস্তুত, এটিই আতংকের প্রধান কারণ। জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আইএস সংগঠিত হচ্ছে। আইএস যদি সত্যি সত্যিই এ অঞ্চলে সংগঠিত হয়, সেটি অবশ্যই মহাচিন্তার কারণ। আর যদি সরকারের অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, অর্থাৎ ‘আইএস নেই, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে ঢোকার জন্য আইএস’র অজুহাত তুলছে’ এমন কিছু হয় সেটাও অবশ্যই মহাচিন্তার বিষয়। সেটা শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতের জন্য আরো বড় চিন্তা ও সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আর তাই সম্ভবত ভারত এ মুহূর্তে আইএসসহ এ অঞ্চলের বিভিন্ন জঙ্গী তৎপরতা নিয়ে বেশ চিন্তিত।

ভারতের বোধোদয়

বিশেষ করে বাংলাদেশে আইএসসহ বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর সাম্প্রতিক তৎপরতা ভারতকে বেশ টেনশনের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। যদিও পাঠানকোটের বিমান ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলার সঙ্গে বাংলাদেশের কারো নাম আসেনি, তারপরও তারা মনে করছে, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন নামে ভারতে ব্যাপকসংখ্যক জঙ্গি ঢুকেছে। এরা যে কোনো সময় গোটা ভারতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। এটা অত্যন্ত সাধারণ সমীকরণÑ সুষ্ঠু বা স্বাভাবিক গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে সেখানে জঙ্গির উত্থান ঘটবেই। বিগত সময়ে বাংলাদেশে যেভাবে বিরোধী রাজনৈতিক দল বা মতকে দমন করা হয়েছে তাতে আইএস, আনসারুল্লাহ, জেএমবি বা অন্য যে নামেই হোক জঙ্গির উত্থান ঘটাটা অমুলক নয়।

বঙ্গোপসাগর বাদ দিলে প্রায় পুরোটাই ভারত পরিবেষ্টিত সীমান্ত বাংলাদেশ। এখানে জঙ্গির উত্থান ঘটলে তা পুরো ভারতে ছড়িয়ে পড়বে। তখন এটি নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এ কথাগুলো বিলম্বে হলেও ভারতের নীতিনির্ধারকরা বুঝতে পেরেছেন বলে মনে হচ্ছে। আর সেই কারণেই তাদের বাংলাদেশ নীতিতে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

এটা সবাই বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট অনেকাংশে ভারতের কংগ্রেস সরকারেরই সৃষ্ট। তৎকালীন কংগ্রেস সরকার বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ‘জোর করে’ রাখার ব্যাপারে তাদের জনগণকে একটি যুক্তি দেখিয়েছিলো, তাহলো- সীমান্তে, বিশেষ করে আসাম সীমান্তে স্বাধীনতাকামী উলফার তৎপরতা বন্ধ করা। এখানকার আওয়ামী লীগ নেতারাও একই কথা বলে এসেছেন, ভারত তাদের প্রয়োজনেই এখানে আওয়ামী লীগ সরকারকে টিকিয়ে রাখবে।

কিন্তু, এখন বিষয়টি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে শুরু করেছে বলে আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। তারা মনে করছে, সীমান্তে বিচ্ছিন্নতা বা স্বাধীনতা আন্দোলনের চেয়ে আইএস বা জঙ্গি অনেক বেশি টেনশনের বিষয়। বিচ্ছিন্নতা বা স্বাধীনতা আন্দোলন দৃশ্যমান শত্রু এবং তা সীমান্তেই সীমাবদ্ধ। অন্যদিকে জঙ্গি অদৃশ্যমান শত্রু, এমনকি এর কোনো সীমারেখাও নেই। বাংলাদেশে যে দলই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকুক, তাদের সঙ্গে বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সীমান্ত সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব। কিন্তু, জঙ্গি মোকাবেলা মানে, হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করা- যা এক অসম্ভব ব্যাপার। এতে পুরো দেশ অস্থিতিশীল হয়ে পড়ার আশংকা থাকে।

আর এ কারণেই বর্তমান বিজেপি নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার জঙ্গি উত্থানের ব্যাপারে বেশ সতর্ক। সারা ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ নিয়ে তারা বেশ চিন্তিত। সর্বশেষ গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি-এনআইএ) এই মর্মে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রিপোর্ট দাখিল করেছে যে, বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত দিয়ে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ বাড়ছেই। সীমান্তের কিছু অংশ সে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বিপদ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না আসলে, সুষ্ঠু রাজনীতির ধারা চালু না হলে এই দেশ জঙ্গি উৎপাদনের কারখানায় পরিণত হবে। যা গোটা ভারতের জন্যই হুমকি হয়ে দেখা দেবে। আর এ কারণেই সম্ভবত ভারত সরকার বাংলাদেশে শিগগিরই অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচন দেখতে চাইছে। রাজনীতিতে বর্তমানে যে কিছুটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, এটি তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। সূত্র: শীর্ষ কাগজ

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন