বিডিএমএ কাউন্সিলে ছাত্রলীগের হামলা, গ্রেফতার ৪,মুচলেকায় মুক্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিডিএমএ) এর জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা মেডিকেল স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সোহেল খন্দকার ফাহিম, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রাজ্জাক নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু ডিএমএসএ এর কর্মীরা।এসময় তারা কাউন্সিল রুমে চেয়ার টানাটানি এবং নেতৃবৃন্দের উপর তেড়ে আসতে থাকে।হট্টগোল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় নেতৃবৃন্দের পাল্টা ব্যাবস্থা গ্রহনে গ্রেফতার হয় হট্টগোলের নেতৃত্ব দানকারী বঙ্গবন্ধু ডিএমএসএ এর নেতৃবৃন্দ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিডিএমএ নেতা জানান, সভার শুরু থেকেই তারা বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষার্থীরা তাদের থামানোর চেষ্টা করে,এসময় বিক্ষুব্ধ বঙ্গবন্ধু ডিএমএসএ এর নেতৃবৃন্দ স্বেচ্ছাসেবকদের উপর কিল ঘুষি মারতে থাকে এবং বিডিএমএ এর নেতৃবৃন্দের উপর হামলা চালাতে উদ্যত হলে বিডিএমএ এর নেতৃবৃন্দ হট্টগোলকারী বঙ্গবন্ধু ডিএমএসএ এর হামলাকারী কর্মীদেরকে পুলিশে সোপার্দ করেন।

পুলিশ গ্রেফতার করতে আসলে বঙ্গবন্ধু ডিএমএসএ এর নেতারা ছাত্রলীগ পরিচয় দিয়ে পুলিশের কাজে বাধা দেয়, পরে হট্টগোল এবং পুলিশের কাজে বাধাদানের কারণে পুলিশ বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা মেডিকেল স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সোহেল খন্দকার ফাহিম সহ ৩জনকে গ্রেফতার করে খিলখেত থানা হেফাজতে নেয়।

সন্ধায় ছাত্রনেতাদের পরিবারের অনুরোধে বিডিএমএ নেতৃবৃন্দ থানায় “ভবিষ্যৎে এমন কোন নাশকতার চেষ্টা না করার” শর্তে মুচলেকা দিয়ে মুক্ত করে আনেন আটককৃত ছাত্রনেতাদের।

উল্লেখ্য,ছাত্রলীগের অঙ্গ সংগঠন দাবি করা ডিপ্লোমা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু ডিএমএসএ এর গ্রেফতার হওয়া নেতৃবৃন্দের নামে অপহরণ, ছিনতাই সহ বিভিন্ন অভিযোগে জিডি ও আগে থানায় মুচলেকার তথ্য রয়েছে।

বিডিএমএ এর নানা নেতাকে অপহরন ও জিম্মি করায় তাদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারন ডাইরি রয়েছে বলে জানান বিডিএমএ এর নেতৃবৃন্দ।

এবিষয়ে জানতে বঙ্গবন্ধু ডিএমএসএ সাধারন সম্পাদককে ফোন করলে তিনি সময় বাংলাকে জানান, শান্তিপূর্ণভাবে সভা চলাকালে বিডিএমএ মহাসচিবের বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে,পূর্বপরিকল্পনাুযায়ী বিডিএমএ নেতৃবৃন্দ পুলিশকে ভুল বুঝিয়ে নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করায়,পরে সাদা কাগজে বন সই করে বিডিএমএ নেতা ডাঃআমিনুল এর সহায়তায় আমরা ছাড়া পাই।

ফাহিম বলেন, ছাত্রনেতা রাজ্জাককে নিয়ে টানাহেচড়ার সময়ে বিডিএমএ এর সাথে আমাদের বাকবিতণ্ডা হয়,ফলে আমরা ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ি, ডাঃ হুমায়ুন এবং ডাঃ বাচ্চুর অনুসারীরাও আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে।আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিবো।চাঁদাবাজির কথা জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, আমরা কোন অপকর্মের সাথে জড়িত নই।

উল্লেখ্য বিডিএমএ ডিপ্লোমা মেডিকেল পেশাজীবিদের সংগঠন।

সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন